জিয়াউর রহমানের সময় বিচারহীনতার সংস্কৃতি শুরু হয়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২২, ১৩:৪১

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়াউর রহমান সামরিক আইন জারি করে একাধারে সেনাপ্রধান, অপরদিকে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন। খুনিদের ইনডেমনিটি দেওয়া হয়, যাতে তাদের বিচার না হয়। তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কার দেওয়া হয়। বিচারহীনতার সংস্কৃতি শুরু হয়।

সোমবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদের শপথ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানরা। ছবি: পিএমও

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যাতে দেশে আসতে না পারি সেই নির্দেশ দেয়। এমনকি রেহানার পাসপোর্টটও রিনিউ করে দেয়নি জিয়াউর রহমান। নিষেধ করে দিয়েছিল, ৬ বছর বিদেশে ছিলাম। পরে একটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেশে ফিরে আসি।

বিএনপি নিজেরাই নিজেদের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে চেয়ারম্যান করে রেখেছে। আমার মা-বাবা, ভাই হত্যার আসামি জিয়াউর রহমান। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দল আবার এতো কথা বলে কী করে?

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানরা। ছবি: ফোকাস বাংলা

এর আগে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যদের শপথ পড়ান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

গত ১৭ অক্টোবর তফসিল ঘোষিত ৬১টি জেলা পরিষদের মধ্যে ৫৭টির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে ভোলা ও ফেনী জেলার সব কয়টি পদে একক প্রার্থী থাকায় নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি।

নির্বাচনে ২৬ জন চেয়ারম্যান, ১৮ জন নারী সদস্য ও ৬৫ জন সাধারণ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। সব কয়টি পদে একক প্রার্থী থাকায় ভোলা ও ফেনী জেলা পরিষদে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি। আর আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নোয়াখালী জেলা পরিষদের ভোট স্থগিত হয়।

ইত্তেফাক/এসকে