বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ঈশ্বরদীতে ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়ছে, অধিকাংশ শিশু-বৃদ্ধ

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২২, ১৬:০৫

গত কয়েক ধরে ঈশ্বরদীতে শীতের প্রকোপের সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে।  শীতজনিত রোগে আক্রান্তরা ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভিড় করছে।  এদের বেশির ভাগই শিশু ও বৃদ্ধ।

আক্রান্তরা চিকিৎসা নিতে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়াও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং প্রাইভেট হাসপাাতালে ভিড় করছেন।

বৃহস্পতিবার সরেজমিন দেখা গেছে, ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়া ও শ্বাসনালির সংক্রমণে কাশি, শ্বাস কষ্ট, জ্বর, অ্যালার্জি ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে নানা বয়সীদেরকে হাসপাতালে আসতে দেখা গেছে।  বিশেষ করে হাসপাতালের শিশু বিভাগে অধিক সংখ্যক রোগী দেখা গেছে। তারা সর্দি-কাশিসহ ডায়রিয়া আক্রান্ত বলে জানিয়েছেন অভিভাকরা।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যান বিভাগের নাজনীন আক্তার জানান, এক সপ্তাহে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে ৩ হাজার ১৮৪ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়েছে। এদের মধ্যে ৪৯৪ জন (০-৪ বছরের) শিশু এবং ৭০৬ জন পঞ্চাশোর্ধ্ব রোগী। নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে  ৫৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এছাড়াও প্রতিদিন জরুরি বিভাগে  শত শত রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসমা খান জানান, হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন প্রায় চার’শ রোগী চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। কিন্তু গত কয়েক দিনে এই সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এদের অধিকাংশই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত।

পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুল বাতেন বলেন, এ সময়ে বাতাসে ধুলোবালি বেশি থাকায় অনেকের অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট, কাশি, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস দেখা দেয়। এসময় রোগবালাই থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় সচেতনতা। শীতের সময় শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বেশি যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। শিশুদের ঠান্ডা লাগলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

ইত্তেফাক/আরএজে