সরকার একদিকে বাজেট দিচ্ছে, অন্যদিকে লুট করছে: আমীর খসরু

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৯, ২০:৪৭

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এই সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নয়। একদিকে বাজেট দিচ্ছে, পলিসি নির্ধারণ করছে; অন্যদিকে লুট করছে। সব আজ একীভূত। সত্যিকার অর্থে যারা ভোট চুরি করে, তাদের হাতে দেশের সম্পদ নিরাপদ নয়। তাদের দ্বারা সম্পদের সুষম বণ্টন হতে পারে না। নতুন (২০১৯-২০) অর্থবছরের জন্য জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবে না।
 
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল আয়োজিত ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তাঁতী দলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, ওলামা দলের আহ্বায়ক শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হক, বিএনপির তাঁতীবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি হুমায়ুন ইসলাম খান, যুগ্ম আহ্বায়ক বাহাউদ্দিন বাহার প্রমুখ।

আমীর খসরু বলেন, আজকে দেশের মানুষের কাছে সবচেয়ে বেশি স্পর্শকাতর বিষয় খালেদা জিয়ার মুক্তি। তার মুক্তির সঙ্গে সবকিছু জড়িত। মানুষ ভোটাধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার ফিরে পাবে কি-না তা নির্ভর করছে তার মুক্তির ওপর। আমাদের এক দাবি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সেটা হলো খালেদা জিয়ার মুক্তি। আন্দোলনে নেমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। 

আমীর খসরু আরও বলেন, দেশের একটি গোষ্ঠী জনগণকে বাইরে রেখে ক্ষমতা দখল করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আজকে তিউনিশিয়ার উপকূলীয় এলাকায় বাংলাদেশের যুবকেরা ভাসছে। কেন তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ছেড়েছে, কেউ জবাব দিতে পারবেন? যে দেশে গণতন্ত্র থাকে না, বাক স্বাধীনতা থাকে না; সেখানে মানুষের নিরাপত্তা থাকে না, ন্যায়বিচার হতে পারে না। 

আরও পড়ুন: শেরপুরে গৃহবধূ নির্যাতন, দায়িত্বে অবহেলায় ওসি প্রত্যাহার

তিনি বলেন, বাজেটে তাঁতী সম্প্রদায়ের জন্য কী রাখা হয়েছে? তাঁতী দলকে এ নিয়ে ভাবতে ও কাজ করতে হবে। তবেই আপনারা তাঁত শিল্পের লোকজনের কাছে সমাদৃত হবেন। সব অঙ্গ সংগঠনের প্রধান দায়িত্ব নিজ নিজ খাতের বিভিন্ন বিষয়ে সোচ্চার হওয়া। সারাবিশ্বে হাতে বোনা তাঁত পণ্যের চাহিদা অনেক বেশি। কিন্তু আমরা বাংলাদেশে তার মূল্যায়ন করতে পারি না। এই শিল্পের বিকাশ ঘটাতে ও বাজার ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাঁত শিল্পকে বাঁচানোর বিকল্প নেই।

ইত্তেফাক/এমআই