বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

জেসিআই বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৩১ তরুণ উদ্যোক্তা 

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২২, ১৬:৫৯

জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) বাংলাদেশের উদ্যোক্তা সম্মেলনে ৩১ তরুণ উদ্যোক্তাকে দেওয়া হয়েছে ‘জেসিআই তরুণ উদ্যোক্তা অ্যাওয়ার্ড-২০২২’। তাদের মধ্যে নয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয় ‘দ্য চেইঞ্জ মেকার অ্যাওয়ার্ড।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান শুটিং কমপ্লেক্সে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণ উদ্যেক্তাদের হাতে এ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে নগদ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক ও জেসিআই বাংলাদেশের সভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ এলিট তরুণ উদ্যোক্তাদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।  

যে ২২ তরুণ পেলেন জেসিআই তরুণ উদ্যোক্ত অ্যাওয়ার্ড-২০২২ তারা হলেন- সাখাওয়াত হোসেন, মোনেম শাহরিয়ার শেজান, রেজওয়ান উল হক, আরেফিন রাফি আহমেদ, খন্দকার নাইমুল হাসান, মো. ইরসাদুল হক, হাবিবুর রহমান জুয়েল, মিনহাজ খান, মো. সোহেল আহমেদ, মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান, জাফির শফি চৌধুরী, মো. নাহিদ ইসলাম, ইমতিয়াজ উদ্দিন, মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, প্রকৌশলী মোহাম্মদ এমরান হাসান অভি, মো. কামরুজ্জামান পাভেল, মো. ফখরুল আলম মুকুল, আশাবুস সাফা, রেবেকা সুলতানা বিন্তি, সানামা ফয়েজ, শাফকাত আহমেদ ও মো. মাহমুদুর রহমান।

এছাড়া জেসিআই সদস্য ছাড়াও নয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয় জেসিআই দ্য চেইঞ্জ মেকার অ্যাওয়ার্ড। তারা হলেন- এম আমিনুর রহমান, সামিনা সারা, পেপারফ্লাই, মাহমুদুল ইসলাম সোহাগ, ফাহাদ বিন কামাল, শিখো, ইফতেখার রাফসান, আমবারীন রেজা, মো. ইমরান হোসেন ও আজরা মাহমুদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্য নগদ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু বলবো। আপনারা জানেন, আমরা শুধু সুযোগ খুজি কীভাবে বড় হতে পারি। ১০ টাকার একটি লটারি দিয়ে ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। কিন্তু অপরচুনিটি সব সময় নিতে হয় না, সেটার জন্য কাজ করতে হয়। আমি মনে করি ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনি আপনার চারপাশের সমস্যা সমাধান করতে পারলেই আপনি সফল হবেন। অনেক আইডিয়া আবিষ্কারের চেয়ে আপনি যদি সমস্যা সমাধান করতে পারেন, তাহলেই আপনি সফলতা পাবেন। নগদ মানুষের সমস্যা সমাধানে কাজ করেছে।  

তিনি আরও বলেন, আমরা যখন নগদ শুরু করি তখন অনেকেই বলেছে, ১৭টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং করতে গিয়ে শত শত কোটি টাকা ইনভেস্ট করেছে। কিন্তু আমি বলেছি আমরা এটাকে সহজ করবো। আমি দেখেছি, একটা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খুলতে দুই পাতার ফর্ম ফিলাপ করতে হয়, আমি নিজেও সেটা তিনবার করেছি। আমি এ সমস্যাটাই সমাধান করার চেষ্টা করেছি। একটা সেলফি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি দিলেই অ্যাকাউন্ট ওপেন হয়ে গেছে। আমরা এ পরিবর্তনটাই করেছি। এখন আমাদের নগদ গ্রাহক ৬ কোটিরও বেশি।  

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেসিআই ঢাকা চেপ্টারের প্রেসিডেন্ট নিয়াজ মোর্শেদ এলিট। তিনি বলেন, জেসিআই বাংলাদেশ বিশ্বাস করে তরুণ নেতৃত্বে। আমরা সেই পরিবর্তনের জন্যই কাজ করছি। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে জেসিআইয়ের পাঁচ হাজার সদস্য রয়েছেন। যারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল। জেসিআই সমাজের পরিবর্তনের অঙ্গীকারবদ্ধ তরুণদের নিয়ে কাজ করে। যারা বিশ্বাস করে আমি পারবো, আমরা পারবো।

জেসিআই বাংলাদেশের যেসব ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান (উদ্যোক্তা) সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অমূল্য অবদান রাখছে। দিনব্যাপী এক্সপোতে প্রায় ৭০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রদর্শন করা হয় যেগুলোর বেশিরভাগই জেসিআই বাংলাদেশের সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত প্রতিষ্ঠান। অন্যান্য স্বনামধন্য ব্র্যান্ডের উদ্যোক্তারাও এক্সপোতে অংশগ্রহণ করেন।

ইত্তেফাক/এমএএম