বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ

পরাজিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২২, ১৫:২৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার তার প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থী শফিকুল আলমের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন।

মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে বিবাদীকে ২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারি জবাবদানের জন্য সমন জারি করেছেন।

মামলার ফাইলিং আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. তারিক হোসেন জুয়েল। তার সঙ্গে ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তানবীর ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বাবুল, প্রবীণ আইনজীবী আবু তাহের ও অ্যাডভোকেট মিন্টু ভৌমিকসহ প্রায় অর্ধশত আইনজীবী।

মামলার আবেদনে বাদী অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনের দু’দিন আগে ১৫ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আল মামুন সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শফিকুল আলম কটাক্ষপূর্ণ, আপত্তিজনক ও মানহানিকর লিখিত বক্তব্য দেন। এ বক্তব্য পরদিন (১৬ অক্টোবর) বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকসহ স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এছাড়া ওইদিনই বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়ও প্রচারিত হয়।

বাদী দাবি করেন, এতে আল মামুন সরকার এবং তার দল আওয়ামী লীগের সুনাম ক্ষুণ্ণসহ মানহানি হয়েছে। এ ঘটনায় আল মামুন সরকার গত ৩ অক্টোবর আইনজীবী এম. তারিক হোসেন জুয়েলের মাধ্যমে আইনি নোটিশ দেন। সেখানে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়েছিলেন, যা ওইদিন থেকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধের জন্য বলা হয়েছিলো। কিন্তু উল্লেখিত সময়ের মধ্যে শফিকুল আলম কোনো সাড়া না দেওয়ায় আল মামুন সরকার আদালতে এ মামলা করেন।

অ্যাডভোকেট তারিক হোসেন জুয়েল মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও পরাজিত প্রার্থী শফিকুল আলম জানান, তিনি এখনো কোনো নোটিশ পাননি। পেলে তা আইনিভাবেই মোকাবেলা করবো। অনেক টকশোতে অনেক কথাবার্তাই তো হয়, সবাই কি মামলা করেন? আল্লাহ তাকে ক্ষমতা দিয়েছেন, কেউ যদি দরবার করে কী আর করার আছে!

ইত্তেফাক/এসকে