রোববার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

বৈদ্যুতিক লাইনে প্লেন বিধ্বস্তে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১১:৫৯

যুক্তরাষ্ট্রে একটি ছোট প্লেন স্থানীয় সময় রোববার (২৭ নভেম্বর) একটি উচ্চ-ভোল্টেজ সম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইনে বিধ্বস্ত হয়। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির আশপাশের এলাকায় ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রায় ৩০ মাইল উত্তরে একটি উচ্চ-ভোল্টেজ পাওয়ার লাইনে ছোট বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এর ফলে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে। 

উদ্ধারকারীরা গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করলেও বিমানটিতে থাকা দুইজনকে উদ্ধার করতে পারেনি। দুই আরোহী এখনও আটকে আছেন। রোববার স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় ছোট প্লেনটি বিধ্বস্ত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রায় ৩০ মাইল উত্তরে একটি উচ্চ-ভোল্টেজ পাওয়ার লাইনে ছোট বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) এর তথ্য অনুযায়ী, 'মুনি এম২০জে' মডেলের ছোট এই প্লেনটি নিউইয়র্কের ওয়েস্টচেস্টার থেকে উড্ডয়ন করে এবং দুর্ঘটনাস্থলের কাছে মন্টগোমারি এয়ারপার্কে অবতরণের কথা ছিল।

মন্টগোমারি কাউন্টি ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের তথ্য অনুসারে, এটি মেরিল্যান্ডের মন্টগোমারি ভিলেজে কুয়াশাচ্ছন্ন ও ভেজা আবহাওয়ায় মাটি থেকে প্রায় ১০০ ফুট উপরে একটি পাওয়ার লাইনে আটকে যায়।

এটি মেরিল্যান্ডের মন্টগোমারি ভিলেজে কুয়াশাচ্ছন্ন ও ভেজা আবহাওয়ায় মাটি থেকে প্রায় ১০০ ফুট উপরে একটি পাওয়ার লাইনে আটকে যায়।

ওয়াশিংটন অঞ্চলের ইউটিলিটি সেবাদানকারী কোম্পানি পেপকোর তথ্য অনুযায়ী, বিমান দুর্ঘটনার কারণে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন হয়েছেন। রাস্তাও বন্ধ হয়ে যায় এবং এলাকার অনেক ট্রাফিক লাইট নিভে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত বিমানটির ভেতরে দুজন যাত্রী রয়েছেন। দুর্ঘটনার পর তারা বেঁচে গেলেও সেখানে আটকা পড়েন তারা।

মন্টগোমারি কাউন্টি ফায়ার চিফ স্কট গোল্ডস্টেইন জানান, উদ্ধার কর্মকর্তারা নিয়মিত বিরতিতে তাদের সেল ফোনে কল করে বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তিনি বিমানের যাত্রীদের অবস্থা বর্ণনা করতে অস্বীকার করেন। তবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানান তিনি।

যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়ার আগে বিমানটিকে একটি বৈদ্যুতিক টাওয়ারে সুরক্ষিত করতে হবে। একটি স্থানীয় কোম্পানির দেওয়া একটি বেশ বড় ক্রেন ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং বিশেষজ্ঞরা বৈদ্যুতিক টাওয়ারে আরোহণের জন্য অবস্থান করছেন বলে জানান গোল্ডস্টেইন।

 

ইত্তেফাক/ডিএস