শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩, ১৩ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ফ্রান্সের নিয়ম রক্ষার ম্যাচে তিউনিসিয়ার কঠিন পরীক্ষা

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৫:২৮

পরপর দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে কাতার বিশ্বকাপের নক আউট পর্ব নিশ্চিত করে ফেলেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল ফ্রান্স। অন্য দিকে এক ম্যাচ হার ও ড্র নিয়ে বিশ্বকাপের ডি গ্রুপের তলানিতে অবস্থান করছে তিউনিসিয়া। তাই বলা যায়, ফ্রান্সের জন্য এই ম্যাচটি নিয়মরক্ষার ম্যাচ। তবে এই ম্যাচটি তিউনিশিয়ার জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। আজ রাত ৯টায় এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে এ দুই দল।

কিন্তু তিউনিসিয়া এ ম্যাচে জয় পেলে সামান্য কিছু আশা বেঁচে থাকবে তাদের। এবারের বিশ্বকাপে এখনো কোনো গোলের দেখা পায়নি আফ্রিকার এ দলটি। গত শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হয়ে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের শঙ্কায় রয়েছে তিউনিসিয়া। এর আগে প্রথম ম্যাচে ডেনমার্ককে গোলশূন্যভাবে রুখে দিয়ে এক পয়েন্ট অর্জন করেছিল তারা।

জালেল কাদরির দল যদি ফ্রান্সকে হতবাক করে দিয়ে তিন পয়েন্ট অর্জনও করে, তবুও নকআউট পর্ব নিশ্চিত হবে না। কারণ পরের ম্যাচে ডেনমার্ককে হারাতে পারলে অস্ট্রেলিয়ার পরের রাউন্ড নিশ্চিত হবে। তবে অস্ট্রেলিয়া-ডেনমার্কের ম্যাচটি ড্র হলে তিউনিসিয়ার জন্য দরজা খুলে যাবে। এবারের বিশ্বকাপে মেক্সিকোর সঙ্গে দ্বিতীয় দল হিসেবে প্রতিপক্ষের জালে এখনো কোনো গোল দিতে পারেনি তিউনিসিয়া। তবে এর আগে বিশ্বকাপের কোনো আসরে কোনো গোল না দিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়নি ঈগলসের। অতীত পরিসংখ্যান থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেতে পারে আফ্রিকানরা।

যদিও ইতোমধ্যেই পরের রাউন্ড নিশ্চিত করা ফ্রান্সও যেহেতু নির্ভার হয়েই মাঠে নামবে, তাই তারাও ছেড়ে কথা বলবে না।  বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকে ইনজুরি ও প্রাক-টুর্নামেন্ট ফর্মহীনতা ফ্রান্সের শিরোপা ধরে রাখার মিশন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচেই ফরাসিরা তাদের আগমন জানান দিয়ে ফেলেছে। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে ডেনমার্কের বিপক্ষে দারুণ এক জয় তুলে নিয়ে নক আউট পর্বে গেছে ফ্রান্স।

গ্রুপ বিজয়ী হতে দিদিয়ের দেশ্যমের এখন শেষ ম্যাচে এক পয়েন্ট হলেই চলবে। এ নিয়ে বিশ্বকাপে টানা ছয় ম্যাচে জয় নিশ্চিত করেছে ফরাসিরা। আজ জিততে পারলে ইতালির সঙ্গে সাত ম্যাচ জয়ের দ্বিতীয় সেরা রেকর্ড স্পর্শ করবে। ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল ব্রাজিল টানা ১১ ম্যাচে জয়ী হয়ে এখনো শীর্ষ স্থানটি ধরে রেখেছে।

ইত্তেফাক/এসএস

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন