রোববার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

তালেবান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন হিনা রাব্বানি

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:১৯

কাবুলে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের কর্মকর্তাদের মধ্যে মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে পাকিস্তানি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে রাজনৈতিক বিষয়ের পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ইসলামাবাদের সঙ্গে এক মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতির শেষ করার ঘোষণা দিয়েছে। টিটিপির এই ঘোষণার পর পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের কর্মকর্তাদের মধ্যে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আফগানিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী আবদুল সালাম হানাফির সঙ্গে বৈঠক করেন হিনা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আফগানিস্তানের খনিজ ও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী শাহাবুদ্দিন দেলাওয়ার। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, সংযোগ ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগের মতো বিষয়গুলো বৈঠকে প্রাধান্য পেয়েছে।

আফগানিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী আবদুল সালাম হানাফির সঙ্গে বৈঠক করেন হিনা।

হিনা ও আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির মধ্যেও বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনার ওপর জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, আঞ্চলিক যোগাযোগ, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, আর্থ-সামাজিক প্রকল্পসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

একদিনের সফরে আফগান ব্যবসায়ী নারী সমিতি হিনার সম্মানে মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করে।

একদিনের সফরে আফগান ব্যবসায়ী নারী সমিতি হিনার সম্মানে মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করে। এতে হিনা অংশ নিয়ে ঘোষণা দেন, পাকিস্তান আফগান নারীদের মাধ্যমে পরিচালিত ব্যবসা থেকে পণ্য আমদানিতে বিশেষ অগ্রাধিকার দেবে। আফগানিস্তানে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ও অন্যান্য কর্মসূচি শেষ করে বুধবার (৩০ নভেম্বর) ইসলামাবাদে ফিরেছেন হিনা। 

হিনার কাবুল সফরের একদিন আগে, সোমবার (২৮ নভেম্বর) টিটিপি পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ করার ঘোষণা দেয়। তারা কারণ হিসেবে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার লাকি মারওয়াত এলাকায় টিটিপি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে দেশটির কর্তৃপক্ষের সামরিক অভিযানকে উল্লেখ করেছে।

ইত্তেফাক/ডিএস