নিজেদের অবস্থান জানান দিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের আশপাশ এলাকায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা দ্বিতীয় দিনের মতো শোডাউন দিচ্ছে। অন্যদিকে ক্যাম্পাস এলাকায় প্রবেশ না করলেও জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে পল্টন এলাকা পর্যন্ত শোডাউন দিয়েছে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে বিএনপির মহাসমাবেশ উপলক্ষে এই শোডাউন করছে দুই রাজনৈতিক দলের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন।
শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, ক্যাম্পাসের কার্জন হল, দোয়েল চত্বর, টিএসসি, পলাশী মোড়, শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকা ও নীলক্ষেত পয়েন্টসহ কয়েকটি স্থানে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। সেসময় তাদের অনেকের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা গেছে।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী বলেন, ‘সমাবেশের নামে বিএনপি নয়াপল্টনে যে বোমা সন্ত্রাস ও পুলিশের ওপর হামলা করেছে তাতে দেশের মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের আশেপাশের এলাকাও শিক্ষার্থীরা নজর রাখছে।’
বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের সভাপতি সজিবুর রহমান সজীব বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কখনো চায় না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্ট হোক। তাই বিএনপি ও ছাত্রদলের সব চক্রান্ত নস্যাৎ করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সর্বদা সজাগ রয়েছে।’
এদিকে ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশে বাধা, দলের মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার, সারাদেশে নেতা-কর্মীদের হত্যা, নির্যাতনের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ মিছিল হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আখতার হোসেনের নেতৃত্বে এ মিছিল হয়। মিছিলটি পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।’
আক্তার হোসেন বলেন, গত সাত ডিসেম্বরে নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এলাকা ও কার্যালয়ের ভেতরে পুলিশের নারকীয় হামলার প্রতিবাদে আমরা প্রেসক্লাব থেকে মিছিল নিয়ে বের হয়েছি। সব মোড়ে মোড়ে পুলিশ ছিল, প্রশাসনের লোকজন ছিল, তারা আমাদের বাধা দিয়েছিলো কিন্তু আমরা সব বাধা উপেক্ষা করে আমাদের মিছিল নিয়ে পল্টন মোড় পর্যন্ত গিয়েছিলাম।
