মরক্কোর বিপক্ষে আজ দিনের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোদের পর্তুগাল। কঠিন এই ম্যাচের আগেও পর্তুগাল শিবিরে রোনালদোকে নিয়ে সমস্যাটা রয়েই গেছে। দলটির ভেতরে অশান্তির আগুন বইছেই। এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই প্রকাশ্যে এলো বিস্ফোরক এক তথ্য। কোচের তিক্ততার জেরে রাগে-ক্ষোভে-অপমানে রোনালদো নাকি দেশে ফেরারই হুমকি দিয়েছিলেন! ব্যাগ গুছিয়ে তিনি নাকি দেশে ফেরার প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন। সতীর্থরা এগিয়ে এসে বুঝিয়ে-সুজিয়ে শান্ত করেন তাকে। তবে তখন শান্ত হলেও রোনালদো নাকি এখনো রেগে আছেন কোচের ওপর। ফলে আজকের কোয়ার্টার ফাইনালে নামার আগে অশান্তির আগুনই জ্বলছে পর্তুগিজ শিবিরে।
পর্তুগালের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে তাকে শুরুর একাদশে রাখা হবে না, এটা বুঝতে পেরেই রেগে যান রোনালদো। ম্যাচ চলাকালেও রিজার্ভ বেঞ্চে রোনালদোকে মুখ গোমড়া করে বসে থাকতে দেখা যায়। তার সেই হতাশামাখা করুণ মুখখানি বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর মনে দাগ কেটেছে। পরে রিজার্ভ ছেড়ে ৭৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামলেও রোনালদোর রাগ এতটুকু কমেনি। সেদিন ম্যাচের পর পর্তুগিজ ফুটবলাররা যখন দর্শকদের কাছে গিয়ে সমর্থকদের অভিবাদন জানাচ্ছিলেন, তখন রোনালদো একা একা হেঁটে ড্রেসিংরুমে যান।
পরে ড্রেসিংরুমেই কোচ ফার্নান্দো সান্তোসের সঙ্গে কথা বলেন রোনালদো। সেখানেই নাকি রোনালদো পরিষ্কার করে জানিয়ে দেন, কোচের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট তিনি। সঙ্গে নাকি হুমকি দেন, পরের ম্যাচেও তাকে প্রথম একাদশে না রাখা হলে ব্যাগ গুছিয়ে কাতার থেকে দেশে ফিরে যাবেন। সেই পরের ম্যাচটি আজ। পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যমের দাবি, বেশ উত্তপ্ত কথাবার্তা হয় সান্তোস এবং রোনালদোর মধ্যে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘হুঁশ ফেরে’ রোনালদোর। তার দলে থাকা কতটা জরুরি, সেটা তিনি বুঝতে পারেন এবং দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন। মানে আজ মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে তাকে ঠিকই দেখা যাবে। তবে সেটা শুরুর একাদশে নাকি বেঞ্চে, তা নিশ্চিত নয়।
