বেলারুশ প্রসঙ্গে যা বললেন পুতিন

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২২, ১৩:০৮

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, বেলারুশ দখলে তার দেশের কোনো আগ্রহ নেই। সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) তিনি এ কথা বলেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মস্কোর প্রতিবেশী দেশটি সস্তা তেল ও ঋণের জন্য রাশিয়ার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। একজন সাংবাদিক পুতিনকে রাশিয়ার দখলদারিত্বের সমালোচকদের কাছ থেকে যে গুজব শুনেছেন সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। 

মস্কোর প্রতিবেশী দেশটি সস্তা তেল ও ঋণের জন্য রাশিয়ার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

জবাবে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, 'কাউকে দখলে নিতে রাশিয়ার কোন আগ্রহ নেই, এর কোন মানে নেই।' ক্রেমলিন বছরের পর বছর ধরে বেলারুশের সঙ্গে গভীর একীকরণের চেষ্টা করেছে। 

তবে দেশটির শক্তিশালী নেতা আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো রাশিয়ার প্রধান মিত্র হওয়া সত্ত্বেও মস্কোর সঙ্গে সম্পূর্ণ একীভূতকরণকে প্রতিরোধ করেছেন। এদিকে পুতিন ঘনিষ্ঠ মিত্র ও কৌশলগত অংশীদারদের অভিন্ন ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ দ্বারা ঐক্যবদ্ধ সম্পর্ককে স্বাগত জানিয়েছেন। 

দেশটির শক্তিশালী নেতা আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো রাশিয়ার প্রধান মিত্র হওয়া সত্ত্বেও মস্কোর সঙ্গে সম্পূর্ণ একীভূতকরণকে প্রতিরোধ করেছেন।

পুতিন বলেছেন, 'আমরা বন্ধুত্বহীন দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞাগুলো একসঙ্গে মোকাবেলা করছি এবং আমরা এটি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এবং কার্যকরভাবে করছি।'

রাশিয়ার প্রেসিডেন্টও মন্তব্য করেছেন, রাশিয়া ও বেলারুশ সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে সামরিক খাতও রয়েছে। দুই দেশ উভয় পক্ষের নিরাপত্তার জন্য যৌথ ব্যবস্থা, যৌথ প্রশিক্ষণ এবং পারস্পরিক অস্ত্র সরবরাহ বিষয়েও একমত হয়েছে।

রাশিয়া ও বেলারুশ সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত হয়েছে।

পুতিন জানিয়েছেন, পরমাণু ওয়ারহেড বহন করতে পারে এমন বিমান ওড়ানোর জন্য রাশিয়া বেলারুশিয়ান ক্রুদের প্রশিক্ষণ দেবে। অন্যদিকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো বলেছেন, 'আমরা সেই বিমানগুলো পরীক্ষা করেছি এবং এটি কারও জন্য হুমকি নয়।'

বেলারুশিয়ান নেতা রাশিয়ার সঙ্গে তার দেশের সম্পর্কেরও প্রশংসা করেছেন। লুকাশেঙ্কো বলেন, 'রাশিয়া আমাদের ছাড়া কোথাও যেতে পারে না, আমরা রাশিয়া ছাড়া কিছুই করতে পারি না। আমরা কি রাশিয়া ছাড়া আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সক্ষম? না!'

ইত্তেফাক/ডিএস