ডিএসইসির ‘লেখক সম্মাননা-২০২২’ অনুষ্ঠিত

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯:২৯

অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) লেখক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) ‘লেখক সম্মাননা-২০২২’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এ এইচ এম এম খায়রুজ্জামান লিটন। এছাড়া দেশের বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিক ও সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক ইত্তেফাক থেকে ‘লেখক সম্মাননা-২০২২’ পেয়েছেন অতনু তিয়াস, শান্তনু চৌধুরী, সানিজিদা সুলতানা, চৌধুরী ফেরদৌস, নাদিম নিশাত, আশরাফুল ইসলাম।

সম্মাননা গ্রহণ করছেন ইত্তেফাক অনলাইনের নিউজ এডিটর শান্তনু চৌধুরী। ছবি: ইত্তেফাক

দেশ, জাতি, সমাজের কাছে লেখক ও সাংবাদিকদের দায়বদ্ধতার বিষয়টি পরিষ্কার মন্তব্য করে রাসিক মেয়র বলেন, আমি বিশ্বাস করি একজন সৃষ্টিশীল মানুষ কখনও জেনেশুনে অন্যায় করতে পারেন না। অন্যায় দেখে চুপ থাকার প্রশ্নও আসে না। এই কারণে লেখক ও সাংবাদিকদের বলা হয় সমাজের বিবেক।

মেয়র বলেন, সমাজের বুকে যখন দমন-পীড়ন নিয়তি হয়ে দাঁড়ায়, তখন কলম শাণিত করে লেখকরা উচ্চারণ করেন প্রতিবাদের ভাষা। এর মাধ্যমে লেখকরা ন্যায়বোধ প্রতিষ্ঠা করতে চান, দূরীভূত করতে চান অন্ধকার। তবেই শহিদদের রক্তের বিনিময়ে বহু দাম দিয়ে পাওয়া এই বাংলাদেশ হবে বিশ্বের বুকে সত্যিকার অর্থে একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্র।

সম্মাননা গ্রহণ করছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফিচার কো অর্ডিনেটর চৌধুরী ফেরদৌস। ছবি: ইত্তেফাক

তিনি বলেন, সমাজের প্রতি, মানুষের প্রতি আপনাদের দায়বদ্ধতার পরিধি অনেক বেশি। আপনারা গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে পত্রিকার পাতায় তুলে আনেন নানা সঙ্গতি-অসঙ্গতির খবর। আপনাদের কলমে উঠে আসে যুক্তিবোধের নানা অনুষঙ্গ। এই কারণে লেখক সমাজনিষ্ঠ একজন সৈনিক।

গল্প-উপন্যাস, প্রবন্ধ-গবেষণা, কবিতা, ভ্রমণ-বিজ্ঞান, অনুবাদ ও শিশুসাহিত্য ক্যাটাগরিতে ৪৩ জনকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। 

সম্মাননা গ্রহণ করছেন দৈনিক ইত্তেফাকের কচি-কাঁচার আসরের বিভাগীয় সম্পাদক অতনু তিয়াস। ছবি: ইত্তেফাক

বিচারক হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. গিয়াস শামীম; কবি, প্রাবন্ধিক-গবেষক মজিদ মাহমুদ; কথাসাহিত্যিক ড. হাসান অরিন্দম; কবি ও গবেষক আমিনুল ইসলাম ও কথাসাহিত্যিক মনি হায়দার।

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) সভাপতি মামুন ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হৃদয় ও দেশের বিশিষ্ট কবি-লেখক ও সাংবাদিকরা।

যারা সম্মাননা পেলেন:

কবিতা বিভাগে লেখক সম্মাননা-২০২২ পেয়েছেন অতনু তিয়াস, আলমগীর নিষাদ, সুরাইয়া ইসলাম, পুলক হাসান, মহসিন হোসাইন, চৌধুরি ফেরদৌস, আব্দুর রহমান মল্লিক, মু আ কুদ্দুস, দীপক ভৌমিক, দীপংকর দীপক, তুহিন তৌহিদ, জিয়া হক, নাদিম নিশাত, জোবায়ের আহমেদ নবীন, বিউটি হাসু, মোহাম্মদ আলম, সাজু আহমেদ, নূরে আলম জীবন, আ ফ ম মশিউর রহমান ও নাসরিন গীতি।

ইতিহাস ও গবেষণা বিভাগে লেখক সম্মাননা-২০২২ পেয়েছেন মোহাম্মদ নূরুল হক, দীপংকর গৌতম, কাজী আলিম-উজ-জামান, অঞ্জন আচার্য, মুস্তফা মনওয়ার সুজন, কায়কোবাদ মিলন, লিয়াকত আলী, শরীফ আবদুল গোফরান, জাকির আবু জাফর, রীতা ভৌমিক, শাহ মুহাম্মদ মুতাসিম বিল্লাহ, আহমাদ মতিউর রহমান, ইমরান মাহফুজ, আনিসুর রহমান এরশাদ, জহির উদ্দিন বাবর, আল মামুন, রনি আধিকারী, ফিরোজ এহতেশাম, সানজিদা সুলতানা, কাওসার বকুল ও মোহাম্মদ আবদুল অদুদ।

গল্প ও উপন্যাস বিভাগে সম্মাননা পেয়েছেন শান্তনু চৌধুরী, লাবণ্য লিপি, কামাল হোসেন টিপু, ইমন চৌধুরি, রনি রেজা, মফিদা আকবর, আশরাফুল ইসলাম, আরিফ মজুমদার, জামাল উদ্দিন জামাল, সাখাওয়াত হোসেন, মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ, অশোকেশ রায়, শতাব্দী আলম, রণজিৎ সরকার, জিয়াউদ্দিন খোকা, সাবিরা ইসলাম, তাসনিম সুলতানা, আবুল হোসেন খোকন, রেজাউল রহমান রিজভী, নীলা মল্লিক, তানভীর আলাদীন, হোসেন শহীদ মজনু, শান্তা ফারজানা, ইব্রাহিম খলিল জুয়েল, শামীম ফেরদৌস, শফিক হাসান, সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, মাহমুদুল হক জাহাঙ্গীর, সাইফ বরকতুল্লাহ ও মাহতাব শফি।

অনুবাদ বিভাগে লেখক সম্মাননা পেয়েছেন প্রমিত হোসেন, সাহাদত হোসেন খান, মাহফুজুর রহমান মানিক ও মলয় পাঁড়ে।

শিশু সাহিত্যে অদ্বৈত মারুত, আশিক মুস্তাফা, মনসুর হেলাল, মামুন রশীদ, আবিদ আজম, নাসির হেলাল, শেখ আব্দুল্লাহ নূর, মাসউদুল কাদির, ইমরুল ইউসুফ, আজরা পারভীন সাঈদ, সাইফুদ্দীন ও ফারহানা তানিয়া লেখক সম্মাননা-২০২২ পেয়েছেন।

ভ্রমণ ও বিজ্ঞান বিভাগে লেখক সম্মাননা পেয়েছেন জাহাঙ্গীর সুর, আসিফ, সুমন ইসলাম, নাজমুল হক ইমন, শর্মিলা সিন্ড্রেলা, এখলাছ হক, কাজী রফিক ও কে এম শহীদুল হক।

ইত্তেফাক/এএইচপি