বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ জানালেন পরীমণি

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭:১৭

কিছুদিন বিরতি শেষে আবারও দেখা দিয়েছে চিত্রনায়িকা পরীমণি ও অভিনেতা শরিফুল রাজের দাম্পত্য কলহ। আবার ভালোবাসায় মজে সুখের মুহূর্তগুলোও শেয়ার করেছেন ভক্তদের সঙ্গে। কিন্তু ২০২২ বছরের শেষটা রাজ-পরী দম্পতির জন্য মোটেও ভালো যায়নি। কলহের জের ধরে রাজের বাসা থেকে ছেলে রাজ্যকে নিয়ে বেরিয়ে আসেন পরী। সেই সঙ্গে ফেসবুকে জানান, তিনি রাজকে তার জীবন থেকে মুক্ত করে নিয়েছেন। এরপর বলেন, রাজের সঙ্গে সংসার করবেন না। শিগগিরই বিচ্ছেদের নোটিশ পাঠাবেন।

আজ (১ জানুয়ারি) বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কয়েকটি কারণ জানিয়েছেন পরীমণি।

বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরীমণি লিখেছেন, ‘একটা সম্পর্কে পুরোপুরি সিরিয়াস বা খুব করে না চাইলে একটা মেয়ে, বাচ্চা নেয়ার মতো এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে না কখনোই। আমার জীবনের সবটুকু চেষ্টা যখন এই সম্পর্কটাকে ঠিকঠাক টিকিয়ে রাখা তখনই আমাকে পেয়ে বসা হলো। যেন, শত কোটি বার যা ইচ্ছে তাই করলেও সব শেষে ওই যে আমি মানিয়ে নেই এটা রিতিমতো দারুন এক সাংসারিক সুত্র হয়ে দাঁড়ালো।’

পরীমণি

রাজের সঙ্গে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টাও করেছিলেন বলে জানান পরী। তার কথায়, ‘আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের এই সম্পর্ক এত দিন আমার এফোর্টে টিকে ছিলো শুধু। কিন্তু বারবার গায়ে হাত তোলা পর্যায়ে পৌঁছালে কোন সম্পর্কই আর সম্পর্ক থাকেনা। স্রেফ বিষ্ঠা হয়ে যায়। রাজ্যের দিকে তাকিয়ে বার বার সব ভুলে যাই। সব ঠিক করার জন্যে পরে থাকি। কিন্তু তাতে কি আসলেই আমার বাচ্চা ভালো থাকবে! না ।

পরীমণি লিখেছেন, ‘একটা অসুস্থ সম্পর্ক এত কাছে থেকে দেখে দেখে ও বড় হতে পারে না। তাই আমি, রাজ্য এবং রাজের মঙ্গল এর জন্যেই আলাদা হয়ে গেলাম। রাজ এখন শুধু আমার প্রাক্তন’ই না,আমার ছেলের বাবাও। তাই রাজ্যের বাবার সন্মান রাখতে পাবলিকলি আর বাকি কিছু বলছি না আমি।’

পরীমণি-রাজ। ছবি: সংগৃহীত

সবশেষে পরী লিখেছেন, ‘তবে আমার উপর তার আর তার পরিবারের কোন অসুস্থ আচরন বা হার্মফুল কিছু করার চেষ্টা করলে আমি কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবো। সম্মানিত গণমাধ্যমকর্মী যারা রয়েছেন আপনারা নিশ্চই আমার মানসিক অবস্থা বুঝতে পারবেন আশা করছি। আমাকে একটু সময় দিন। শারীরিকভাবেও আমি বিধ্বস্ত। রাজ্য তার বাবা মাকে একসাথে নিয়ে বড় হতে পারলো না এর থেকে কষ্টের আর কি হতে পারে আমার কাছে……!’

ইত্তেফাক/বিএএফ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন