নারায়ণগঞ্জে আড়াইহাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে ৮ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় আহত ৫ পুলিশ সদস্য ও ৩ গ্রামবাসী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার বাহ্মন্দী ইউনিয়নের বিনাইরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার স্থানীয় এক মাদরাসার ওয়াজ মাহফিলে ছোট বিনাইরচর গ্রামের এক প্রতিবন্ধী ছেলেকে উজানগোপিন্দী গ্রামের লোকজন মারধর করে। এ নিয়ে গত তিন দিন যাবত ছোট বিনাইরচর এবং উজানগোপিন্দি গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। উজানগোপিন্দী গ্রামের লোকজন বেশ কয়েকবার ছোট বিনাইরচর গ্রামে হামলা করে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দুপুরে ছোট বিনাইরচর গ্রামের মঞ্জুর কাজীর ছেলে মিথুন স্মার্ট কার্ড আনার জন্য উজানগোপিন্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে গেলে সেখানে তাকে মারধর করে উজানগোপিন্দীর লোকজন।
ফলে একপর্যায়ে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় ভুলতা বিশনন্দী সড়কে ১ ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে উত্তেজিত লোকজন পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশ ৮ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে ।
ঘটনায় থানা পুলিশের ৫ সদস্য রফিকুল, নজরুল নুরে আলম, আতিকুল ও আলমগীর, সাংবাদিক শাহজাহান কবির, গ্রামবাসী মিখুন ও আব্দুল খালেকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। পুলিশ এই ঘটনায় ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম ও গ্রামবাসী রিপন নামের ২ জনকে আটক করে।
আড়াইহাজার থানার ওসি আজিজুল হক হাওলাদার জানান, পরিস্থিতি আপাতত শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান করছে।
