এ বছরেও নগদের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২৩, ২২:০৩

আগের অর্থ বছরে বাংলাদেশ সরকারের আরও অনেক ভাতার মত প্রাথমিক স্তরের উপবৃত্তি বিতরণ করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্সিয়াল সার্ভিস নগদ। তাদের সফলতায় সন্তুষ্ট হয়ে আবারও এই প্রতিষ্ঠানটির সাথে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের উপবৃত্তি বিতরণের জন্য চুক্তি করতে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। 

মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস নগদ একেবারে নাম মাত্র খরচে ২০২১ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিতরণ করে আসছে। এছাড়া নগদ বিতরণ করছে সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিধবা-স্বামী নিগৃহীতাভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়ষ্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী শিশু ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা। নগদ-এর এই স্বচ্ছভাবে ভাতা বিতরণের রেকর্ডের কারণেই ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি সরকারের সকল ভাতা নগদেএর মাধ্যমে বিতরণের সুপারিশ করেছিলো। 

সেই ধারাবাহিকতায় আবার নগদ-এর সাথে উপবৃত্তি বিতরণ বিষয়ে চুক্তি করতে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সম্প্রতি অধিদপ্তরের পাঠানো এক চিঠি থেকে এই খবর জানা যায় ২০২২-২৩ অর্থ বছরে সরকার একই সাথে পিটিআই পরীক্ষামূলক স্কুল এবং শিশু কল্যান ট্রান্স পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়কেও উপবৃত্তির আওতায় আনতে যাচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়েছে, এই দিই ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে উপবৃত্তির আওতায় আনতে যে যে কাজ করা দরকার, তা করা হবে। 

নগদ-এর সাথে উপবৃত্তি বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রথম চুক্তি করে ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর। মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি নির্দেশনার ফলে এই চুক্তি করা হয়। এর আগে অন্য একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় উপবৃত্তি বিতরণে অনিয়মের কারণে প্রায় এক বছর এই উপবৃত্তি বিতরণ বন্ধ ছিলো। 

নগদের হেড অব পাবলিক কমিউনিকেশন্স মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম সজল বলেন, ‘আমাদের ওপর আস্থা রাখা হলে আমরা এই অর্থ বছরেও একই মানের সেবা দিয়ে যাবো।’

নগদ-এ উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে নিজের মোবাইল নম্বর ও জন্ম সনদের পাশাপাশি অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। ফলে ছাত্রছাত্রীর অভিভাবকরা ভাতা বিতরণের সাথে সাথে মোবাইলে ক্যাশ আউট চার্জসহ উপবৃত্তির টাকা বুঝে পান। 

ইত্তেফাক/এএইচপি