তুরস্কের আনাতালিয়ায় গত ৮ জানিয়ারি থেকে শুরু হয় ১৩তম এশিয়ান পার্লামেন্টারি অ্যাসেম্বলি (এপিএ)। তিনদিন ব্যাপী এপিএ-এর অধিবেশন আজ মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সম্পন্ন হয়েছে। এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ২৩টি দেশ অংশ নেয়।
এপিএ-র নির্বাহী পরিষদ ও ত্রয়োদশ প্লেনারি অধিবেশনে বাংলাদেশের তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রোববার থেকে মঙ্গলবার তুরস্কের আনতালিয়া শহরে অংশ নেয়।
এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, বেগম সুলতানা নাদিরা, বেগম মনিরা সুলতানা এবং সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আমিনুল ইসলাম।
এবারে এপিএ মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশকে সাধুবাদ জানিয়েছে। পাশাপাশি এই শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে এশিয়ার দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানায়। মঙ্গলবার তুরস্কের আনতালিয়ায় এপিএ-এর ত্রয়োদশ প্লেনারি অধিবেশনের ঘোষণায় এ আহ্বান জানানো হয়।
ঘোষণাপত্রে বলা হয়, “১৫ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিতে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই এবং এই শরণার্থীদের নির্বিঘ্ন, সম্মানজনক ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে এপিএ সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
ঘোষণাপত্রে এপিএ-এর পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, “কেবল রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নয়, মিয়ানমারে সব ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের বিষয়ে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং মিয়ানমারে সব ধরনের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের দ্রুত অবসান চাইছি। নির্যাতিতদের জন্য সুবিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও নির্যাতনের ঘটনায় সব ধরনের বিচারহীনতার বন্ধ করতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
