ব্রিটিশ হাইকমিশনার ও বাণিজ্যদূতকে স্বাগত জানালো ইউসিবি

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২৩, ১৯:৫৮

বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদের একটি দলকে বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) ক্যাম্পাসে স্বাগত জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। 

আগত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যদূত রুশনারা আলী ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ’এর কান্ট্রি ডিরেক্টর টম মিসিওসিয়া। ইউসিবির পক্ষ থেকে অতিথিদের স্বাগত জানান এসটিসি গ্রুপের সিইও (হায়ার এডুকেশন) ড. সন্দীপ অনন্তনারায়ণন, সিওও মোশাররফ খান, হেড অব মার্কেটিং আমিদ হোসাইন চৌধুরী, ইউসিবি-এলএসই’র হেড অব এনরোলমেন্ট মোহাম্মদ মেহরাব, ইউসিবি-মোনাশ এর হেড অব এনরোলমেন্ট-কাজী খাইরুন আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। আগত অতিথিরা বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার সুযোগ তৈরিতে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

সেইসঙ্গে অতিথিরা ইউসিবি’র বিশেষ একাডেমিক সুযোগ-সুবিধা ও উচ্চশিক্ষার জন্য মানানসই পরিবেশ সম্পন্ন স্টেট-অব-দ্য-আর্ট ক্যাম্পাসের ভূয়সী প্রশংসা করেন। দেশের শিক্ষার্থীদের প্রথমবারের মতো ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন স্বীকৃত টিচিং সেন্টার হিসেবে বিজনেস, অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স বিষয়ে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির সুযোগ দিচ্ছে ইউসিবি। লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিক্স অ্যান্ড পলিটিকাল সায়েন্সের মতো শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সরাসরি নির্দেশনায় এই কোর্সগুলো পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশে মোনাশ পাথওয়ে প্রোগ্রামের সুযোগ দিচ্ছে ইউসিবি, যেখানে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার (গ্রেড ১২ সমমান) এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিজনেস আইটি বিষয়ে মোনাশ কলেজে ডিপ্লোমা (অস্ট্রেলিয়া আন্ডারগ্র্যাড ১ম বর্ষ সমমান) করার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।  

এসটিএস গ্রুপের হায়ার এডুকেশন’র সিইও ড. সন্দীপ অনন্তনারায়ণন বলেন, 'আমাদের ক্যাম্পাসে ব্রিটিশ হাইকমিশনার (হিজ এক্সিলেন্সি) রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন ও বাণিজ্যদূত রুশনারা আলীসহ সম্মানিত অতিথিদের স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। আন্তর্জাতিক শিক্ষা অর্জনে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য ইউসিবি’র আন্তরিক প্রচেষ্টাগুলো তাদের সামনে তুলে ধরতে পেরে আমরা আনন্দিত। তারা আমাদের সাফল্যের গল্প শুনেছেন, বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথাও জেনেছেন। তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ পেয়ে আমরা নিজেদেরকে ভাগ্যবান মনে করছি। এই পরামর্শগুলো আমাদের ভবিষ্যৎ উন্নতির জন্য সহায়ক হবে।' 

ইত্তেফাক/এআই