বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা

আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭:৪৩

প্রথমবারের মত আয়োজিত নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ-এ’তে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে আগেই সুপার সিক্স নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। আর গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল। 

বুধবার (১৮ জানুয়ারি) টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে যুক্তরাষ্ট্রের মেয়েরা। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় যুক্তরাষ্ট্র। দলীয় ১১ রানে ১২ বলে ৫ রান করে আউট হন লাস্য মুল্লাপুদি। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন স্নিগ্ধা পাল।

ওপেনার দিশা ধিংড়াকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন স্নিগ্ধা পাল। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৭ রান সংগ্রহ করে এই দুই ব্যাটার। তবে দলীয় ৬৮ রানে ৩৯ বলে ২০ রান করে আউট হন দিশা ধিংড়া। দিশার বিদায়ের পর দ্রুতই সাজঘরে ফিরে যান স্নিগ্ধা পাল। দলীয় ৬৮ রানে ৩৭ বলে ২৬ রান করে আউট হন তিনি।

এরপর ইসানি ভাঘেলা ও গীতিকা কোদালি মিলে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৩৫ রান যোগ করেন। দলীয় ১০৩ রানে ইনিংসের শেষ বলে ১৬ বলে ১৬ রান করে আউট হন গীতিকা কোদালি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রান সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্র। ইসানি ভাঘেলা ১৭ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে দিশা বিশ্বাস ২টি ও মারুফা আক্তার নেন ১টি উইকেট।

১০৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দলীয় ২১ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১২ বলে ১০ রান করে সুমাইয়া আক্তার ও ১০ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফিরে যান আফিয়া প্রত্যশা।

এরপর দিলারা আক্তার ও স্বর্না আক্তার মিলে শুরুর ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দলীয় ৫৯ রানে ফের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৪ বলে ২২ রান করে ফিরে যান স্বর্না আক্তার। স্বর্নারা বিদায়ের পর দ্রুতই ফিরে যান দিলারা আক্তার। 

দলীয় ৬৪ রানে ১৫ বলে ১৭ রান করে আউট হন দিলারা আক্তার। এরপর দলীয় ৮৬ রানে ১৭ বলে ১০ রান করে আউট হন দিশা বিশ্বাস। তবে এরপর আর কোন উইকেট না হারিয়ে ৫ উইকেটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশের কিশোরীরা। 

রাবেয়া খান ২৪ বলে ১৮ ও মিষ্টি শাহা ১৩ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অদিতিবা চুদাসামা নেন সর্বোচ্চ ২টি উইকেট।      

      

ইত্তেফাক/জেডএইচ