বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৬ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

কক্সবাজারে ছয় ডাম্পার কাঠ জব্দ

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ১২:৫১

কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের রামুর মিঠাছড়িতে অভিযান চালিয়ে সামাজিক বনায়ন থেকে  ছয় ডাম্পার কাঠ জব্দ করেছে বন বিভাগ। বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত মিঠাছড়ি ইউনিয়নের কাঠিরমাথা এলাকায় অবৈধ কাঠের মার্কেটে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে গাছ চোর চক্র পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করতে পারেনি বন বিভাগ।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে অভিযোগ আসছিল সামাজিক বনায়নের আকাশ মনি বাগানের চারাগাছ কেটে খোলা বাজারে বিক্রি করছে একটি অসাধু চক্র। খবর পেয়ে সিভিল পোশাকে বিভিন্ন হাটে তদারকি বাড়ায় বনকর্মীরা। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে  এলাকাভিত্তিক প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এসব গাছ কাঁটার পর বাজারে তোলার খবর পাওয়া যায়।

তিনি জানান, এলাকাভিত্তিক সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী ও স্বল্প সংখ্যক বনকর্মী বাগান এলাকা পাহারা দিলেও রাতের আঁধারে গাছ কাটায় বন রক্ষা হচ্ছিল না। কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে মিঠাছড়ি কাঠিরমাথা এলাকার কাঠের মার্কেটটি তুলনামূলক বড় বাজার এবং এখানেই বিপুল পরিমাণ কাঠ মজুদ হয় জেনে অভিযান চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে বাজারে মজুদ করা গাছ জব্দ করে ৬টি ডাম্পার পূর্ণ করে অফিস হেফাজতে নিয়ে আসা হয়।

রেঞ্জ কর্মকর্তা বলেন, এবিষয়ে রামু উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সহযোগিতা চাইলে তিনি নিজে উপস্থিত হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজিবি, আনসার ও বন বিভাগের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চালান। অভিযানে কাঠিরমাথায় অবৈধভাবে সামাজিক বনায়নের ছোটগাছ বিক্রির জন্য গড়ে উঠা বাজার গুড়িয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাজারে মজুদ করা গাছ জব্দ করা হয়।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সরোয়ার আলম বলেন, স্বল্প সংখ্যক বনকর্মী দিয়ে বন ও বাগান রক্ষা কষ্টসাধ্য হওয়ায় সামাজিক বনায়ন উপকারভোগী সৃষ্টিকরার পাশাপাশি পাড়া ও মহল্লায় সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। এরপরও বন এবং বাগান রক্ষা না হওয়া বড় দুঃখজনক। এলাকায় এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাছ খেকোদের আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।  

ইত্তেফাক/আরএজে