শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হবে জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান সৃষ্টির কেন্দ্র: শিক্ষামন্ত্রী 

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ২০:১৬

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘আমরা চাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান সৃষ্টির কেন্দ্র হবে। মুক্ত বুদ্ধির চর্চা হবে। এখানে আমার শিক্ষার্থী ভাই-বোনেরা আছেন এবং তাদের মধ্যে অনেক রাজনৈতিক নেতা-কর্মী আছেন। রাজনীতি করা আমাদের অধিকার, আমরা নিশ্চয় রাজনীতি করবো এবং রাজনীতি করার মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করবো। কিন্তু রাজনীতি চর্চার কোন অংশ যেন প্রাতিষ্ঠানিক সমৃদ্ধির পথে কোন বাধা না হয়ে দাঁড়ায়।’ 

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) বিকালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকবৃন্দের গবেষণা নৈপুণ্যের সম্মাননাস্বরুপ ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান ও আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। 

দেশ এখন বদলাচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন, স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে বহু আগের স্লোগান আর প্রয়োজন নেই। এখন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য এবং অপশক্তিকে রুখে দাঁড়ানোর জন্য যে স্লোগান দরকার সেটি দেওয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে। তবে ভৌত অবকাঠামোর চাইতে গুরুত্বপূর্ণ সত্যিকার অর্থেই আমরা জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চর্চা করতে পারছি কিনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল যে কাজ জ্ঞান চর্চা ও জ্ঞান সৃষ্টি সে কাজে আজ যে অ্যাওয়ার্ড দেয়া হলো গবেষকদের, এর জন্য উপাচার্যসহ পুরো টিমকে কৃতজ্ঞতা জানাই। আশা করি এই উদ্যোগ আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে এবং সম্প্রসারিত হবে। আরও একটি বিশেষ দিক হচ্ছে আমি জেনেছি গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত অর্থের অংশীজন যে শিক্ষার্থীরা হতে পারে এ ধারনা তৈরি এবং দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য উপাচার্যকে ধন্যবাদ।’ 

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, ‘আমাদের শিক্ষকরা একাডেমিক প্লানকে যেন গবেষণামুখী একাডেমিক প্লান করতে পারে সেজন্য কাজ করছি।’  

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো তিনটি ক্যাটাগরিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ জন শিক্ষকের হাতে সনদপত্র ও প্রাইজমানি  তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এতে 'ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং রিসার্চার-২০২৩' ক্যাটাগরিতে ৪ জন, 'ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং রিসার্চ ইন স্পেশাল ক্যাটাগরি'তে ৩ জন এবং 'ভাইস চ্যান্সেলর রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড' পেয়েছেন ১০ জন শিক্ষক। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত ক্লাব কাম গেস্ট হাউজ ও ডরমিটরি উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী।

ইত্তেফাক/এএএম