শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

পরীকে চুমু দিয়ে রাজ বললেন, আমরা ছিলাম, এখনো আছি (ভিডিও)

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৩, ১৯:০৩

বছরের ‍শুরুতে ঢালিউডের জনপ্রিয় জুটি শরিফুল রাজ-পরীমণির বিচ্ছেদ বিচ্ছেন নিয়ে তোলপাড় ছিলো পুরো দেশ।। তবে সব অভিমান ভুলে এখন একসঙ্গেই আছেন তারা। বেশ সুখেই আছেন বলেও জানালেন। শনিবার রাজধানীর মিরপুরে একটি পার্লার উদ্বোধনে গিয়ে রাজ বললেন উপস্থিত ছিলেন এই দম্পতি। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এই দুই তারকা।

সংসার জীবনে অনেকটা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে গিয়েছেন পরীমণি। সেকথা অকপটেই বললেন তিনি। তার কথায়, সংসার জীবনে সবাইকেই ফাইট করতে হয়। আমরা দুইজনই মিডিয়ার মানুষ। মিডিয়াতে কাজ করি বলেই হয়তো আমাদের দিকে ফোকাসটা সবার বেশিই থাকে। আমার মনে হয়, সংসার জীবনে ঝামেলা হওয়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়। এটা ঠিক হয়ে যাওয়া আরও বেশি স্বাভাবিক।

পরীমণি ও শরিফুল রাজ

সংবাদিকদের উদেশ্য করে শরিফুল রাজ বলেন, আমরা মিডিয়ার মানুষ। আপনারা আমাকে ও পরীকে এমনভাবে উপস্থাপন করেন যেনো আমরা সরকারি ও বিরোধী দল। ব্যাপারটা এমন না। মাঝে মাঝে এমন কিছু খবর আসে যেটা ঘর থেকে দেখলে বাজে লাগে। আমরা ছিলাম, এখনো আছি। নতুন করে একসঙ্গে থাকার ঘোষণা দেওয়ার কিছু নেই।

কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ-পরীর সংসারে ছিল সম্পর্কের টানাপোড়েন।  রাজকে নিয়ে পরীমণি ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট দিয়ে ‘কাঠগড়ায়’ দাঁড় করায়। অন্যদিকে পরীর সঙ্গে সংসার সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন রাজ। এখন সবই যেনো অতীত। ভালোবাসার সুতোয় ভালো আছেন তারা।

পরীমণি ও শরিফুল রাজ

দুইজনের রাগের কথা আসতেই হেসে ফেলেন রাজ। এক প্রশ্নের জবাবে রাজ জানালেন তারা এখন বেশ সুখে আছেন। হুটহাট মাথা গরম করে উভয়ই অনেক কিছু বলেছেন।

রাজের ভাষ্য, পরীমণিকে আমি অনেক ভালোবাসি। ওকে আমার ভালোবাসতে কোনো দিনক্ষণ বা সময় লাগে না। সবসময় তাকে ভালোবাসি আমি। সেই ভালোবাসার বর্হিপ্রকাশ প্রকাশ্যেই ঘটালেন রাজ। সবার সামনেই পরীমণিকে চুমু দিয়েই বসলেন এই অভিনেতা।

২০২১ সালে ‘গুণিন’ সিনেমার শুটিংয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান পরীমণি ও শরিফুল রাজ।  একইবছর ১০ অক্টোবর গোপনে বিয়ে হয় তাদের। শরীফুল রাজ ও পরীমণির বিয়ের ঘটক ছিলেন পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম, উকিল বাবা ছিলেন রেদওয়ান রনি। পরে বছর জানুয়ারিতে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর দেন এই তারকা দম্পত্তি। পরে ১০ আগস্ট রাজ-পরীর কোলজুড়ে আসে এক পুত্রসন্তান, তার নাম শাহেম মুহাম্মদ রাজ্য।

 

ইত্তেফাক/বিএএফ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন