বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

এস এ মালেক স্মরণে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ২০:৩৪

কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বঙ্গবন্ধু পরিষদের ১৫ বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের ছবি নিয়ে রবিবার (২২ জানুয়ারি) শেখ ফোজিত বাবুর ২ দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদ্য প্রয়াত সভাপতি ডাক্তার এস এ মালেক স্মরণে আয়োজিত এই আলোকচিত্র প্রদর্শনী সোমবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে।

প্রদর্শনী ও আলোচনা সভার প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী  ড. এ কে আব্দুল মোমেন, এমপি। আলোচনা সভায় ডাক্তার এস এ মালেক এর জীবন, দর্শন, সাংগঠনিক দক্ষতা ও কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর,  বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর ড.আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর ১৫ বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের ছবি নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ডাক্তার এস এ মালেক স্মরণে শেখ ফোজিত বাবু'র আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর, বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর ড.আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। শহীদ মিনার স্থাপিত  ডাক্তার এস এ মালেকের প্রতিকৃতিতে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার এস এ মালেক এর কন্যা শেখ নাদিরা, বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, প্রেসিডিয়াম সদস্য  ড. আবদুল  ওয়াদুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান লালটু ও অন্যান্যরা।

প্রধান অতিথি আব্দুল মোমেন বলেন, ডা. এস. এ মালেক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ এমন এক আলোকিত মানুষ ছিলেন যার শুন্যতা পূরণ হবার নয়। তাই তার স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে বঙ্গবন্ধুর নির্ভীক সৈনিক ড. ওয়াদুদের অনুরোধ আমি উপেক্ষা করতে পারিনি।

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান বলেন, বঙ্গবন্ধু তার চিন্তা ও কর্মে যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা, নীতি-আদর্শ, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ ও ভালোবাসার অনুশীলন করেছেন তার সেবক হিসাবে ড. মালেক নতুন প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন।

প্রধান আলোচক বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, ডা. মালেক ছিলেন বঙ্গবন্ধুর মানবপ্রেম ও কল্যাণকামী আদর্শ প্রচারের এক নির্ভীক সংগঠক ও যোদ্ধা।

বিশেষ অতিথি  ফিকামলি তত্ত্বের জনক, বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক, বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ডাক্তার এস এ মালেক ছিলেন এক মহামানব। প্লেইন লিভিং অ্যান্ড হাই থিংকিং পার্সোন। তিনি ছিলেন মুজিব আদর্শের জন্য আপোষহীন, নিবেদিতপ্রাণ এক সুদক্ষ সংগঠক। রাজনীতিতে সততা ও শিষ্টাচার কি জিনিস যা তার থেকে শেখা যায়। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশা, এমপি, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপাচার্য  ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ড. মো মশিউর রহমান, ডুয়েট এর উপাচার্য ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ড. মো হাবিবুর রহমান, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাছিম আখতার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ফিরোজ আহম্মেদ, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আব্দুস সালাম, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মনোরঞ্জন ঘোষাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত এস এ মালেক এর পুত্র ডা শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন।  

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান লালটু। অনুষ্ঠানের শুরুতে ড. আব্দুল ওয়াদুদ সম্পাদিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন বার্তা সম্বলিত লিফলেট উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি  মাননীয় মন্ত্রী ডক্টর এ কে আব্দুল মোমেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী বঙ্গবন্ধু পরিষদের ১৫ বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের ছবি নিয়ে শেখ ফোজিত বাবুর আলোকচিত্র  প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। 

ইত্তেফাক/এআই