বুধবার, ০৭ জুন ২০২৩, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

‘স্বাস্থ্যশিক্ষা নিয়ে আলোচনার পরিবেশ থাকতে হবে পরিবারে’

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭:৩১

কিশোর-কিশোরীদের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক নানা পরিবর্তন আসে। জৈবিক বিষয়গুলো (স্বাস্থ্যশিক্ষা) কিশোর-কিশোরীরা পরিবারের সঙ্গে নিঃসংকোচে যেন আলোচনা করতে পারে সেই আবহ প্রতিটি ঘরে ঘরে তৈরি করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরি করে তাদের পাঠদানের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে। এছাড়া শিশু-কিশোরদের জন্য কোন কোন খাতে বরাদ্দ প্রয়োজন এবং কীভাবে ও কোন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে খরচ করা হবে, সে বিষয়গুলো সুনির্দিষ্ট করা প্রয়োজন।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সংসদ ভবনস্থ পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবে আয়োজিত ‘জাতীয় কিশোর-কিশোরী স্বাস্থ্য কৌশল ২০১৭-২০৩০ এর জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বার্ষিক বাজেট বিশ্লেষণ’ শীর্ষক অ এ কথা বলেন।

ডেপুটি স্পীকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার পথে দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশের দায়িত্ব আজকের দিনের কিশোর-কিশোরীদের হাতেই একসময় তুলে দিতে হবে। বর্তমান প্রজন্মকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক, নারী-পুরুষে বৈষম্যহীন মনোভাবাপন্ন ও স্মার্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

শামসুল হক টুকু বলেন, সরকার প্রতিটি জেলা-উপজেলাসহ সকল পর্যায়ে সম্প্রীতি কমিটি গঠন করেছে। কমিটিগুলোতে জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ সম্পৃক্ত রয়েছে। কমিটি এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের জৈবিক পরিবর্তন ও প্রয়োজনীয় চাহিদা সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

অনুষ্ঠানে অপরাজেয় বাংলাদেশ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ওয়াহিদ নেওয়াজ, নির্বাহী পরিচালক ওয়াহিদা বানু, প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস, ড. ফেরদৌসী বেগম ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. মাহমুদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা আলোচনা করেন।

ইত্তেফাক/এসকে