বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৬ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

‘নামের মিলে বিপাকে বুয়েট প্রকৌশলী’

দণ্ডিত প্রকৃত আসামিকে খুঁজে বের করতে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৬:০৪

মোহাম্মদপুর থানার অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রকৃত আসামি কে—তা খুঁজে বের করতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তিন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে তদন্ত করে পুলিশের আইজি ও নরসিংদীর পুলিশ সুপারকে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল সোমবার বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেয়। একই সঙ্গে নিরপরাধ বুয়েট প্রকৌশলী মো. রাকিবুজ্জামান খানকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফয়সাল হাসান আরিফ। 

প্রসঙ্গত শনিবার ‘নামের মিলে বিপাকে বুয়েট প্রকৌশলী’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত হয়। ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার অস্ত্র মামলায় ‘ডাবল’ যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে এস এম রাকিবুজ্জামান ওরফে রাকিব ওরফে মিঠু নামে নরসিংদীর এক আসামির। কিন্তু এলাকা, নিজ ও তার পিতার নামের সঙ্গে আসামির নামের কিছুটা মিল থাকায় মো. রাকিবুজ্জামনকে খুঁজছিল পুলিশ। আসামি না হয়েও তাকে পুলিশ খুঁজছে—এই হয়রানি থেকে বাঁচতে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি। ঐ রিটের শুনানি নিয়ে আদালত তদন্তের নির্দেশ দেয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ৩৮ বোরের একটি রিভলভার, পাঁচ রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিনসহ তিন আসামিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৯৯৯ সালের ১৬ আগস্ট মোহাম্মদপুর থানায় তিন জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করে পুলিশ। ঐ মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয় এস এম রাকিবুজ্জামান ওরফে রাকিব নামের নরসিংদীর এক ব্যক্তিকে। অপর দুই আসামি হলেন—মো. সালাউদ্দিন ও কামরুল রহমান ওরফে মনির। ২০১৪ সালের ১৩ জুলাই ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালত এবং মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলায় রাকিবসহ তিন আসামিকেই অস্ত্র আইনের দুটি ধারায় ‘ডাবল’ যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। সব আসামি পলাতক থাকায় সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। ঐ পরোয়ানা পেয়েই নরসিংদী পুলিশ রাকিবুজ্জামান খানকে গ্রেফতারে অভিযান চালায়।

 

ইত্তেফাক/ইআ