বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

বাংলাদেশি ছবির নতুন বাঁকবদল

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭:৩৭

গণঅর্থায়নে নির্মিত হয়েছে  চলচ্চিত্র ‘সাঁতাও’। দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের জীবন সংগ্রাম উঠে এসেছে ছবিটিতে। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন আইনুন পুতুল ও ফজলুল হক। আগামী ২৭ জানুয়ারি দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। তবে মুক্তির আগেই উত্সব প্রদর্শনীতে দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছে ছবিটি।

এর আগে ‘কুড়াপক্ষীর শূন্যে উড়া’ নামের একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন মোহাম্মদ কাইয়ুম। হাওর অঞ্চলের জীবনের আর্তনাদ ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি এই ছবিতে।

দেশের বিশিষ্ট অভিনেতা জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের ছবি নির্মাণে এখন দারুণ গবেষণা আর পরিশ্রম দেখা যাচ্ছে। আগে হয়ত গুটিকতক নির্মাতারা এই কাজটি করতেন, কিন্তু এখন অনেকের ভেতরেই এই জাগরণটা লক্ষ করা যায়।

এদিকে শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) যখন ‘সাঁতাও’ ছবিটি প্রদর্শিত হয়, তখন তা দেখার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে হাজারও দর্শক। ছবি দেখা শেষে বেরিয়ে আসার পর অধিকাংশের মুখেই ছিলো প্রশংসা বাক্য। তারই ধারাবাহিকতায় ‘সাঁতাও’ নির্মাতার হাতেই উঠলো ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবের বাংলাদেশ প্যানোরমা সেকশনের সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার। গত রোববার (২২ জানুয়ারি) উত্সবের ২২তম আসরের সমাপনী আয়োজনে পুরস্কার গ্রহণ করেন নির্মাতা খন্দকার সুমন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছবির শিল্পী-কুশলীরা।

উত্সব কর্তৃপক্ষ, বিচারক ও নিজের টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নির্মাতা খন্দকার সুমন। এরপর নিজের পরিবারের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন সুমন।

নির্মাতা সুমন বলেন, ‘এটা আমার একক কোনও প্রয়াস না, পুরো টিমের চেষ্টা। তাই সবার কাছে আমি কৃৃতজ্ঞ। তারা আমার মতো নতুন নির্মাতাকে বিশ্বাস করে জানপ্রাণ দিয়ে কাজ করেছে। আর আমার পরিবারের কাছে কৃৃতজ্ঞ। আমার তিন কন্যা, যাদেরকে সময় দিতে পারিনি। ওই সময়গুলো চুরি করে সিনেমাটি তৈরি করেছি। ধন্যবাদ আমার স্ত্রীকে, সে অভিভাবকের মতো আমার সন্তান ও আমাদের আগলে রেখেছে।’

ইত্তেফাক/এসকে