ইশরাত নিশাত নাট্য পুরস্কার: ৯ সদস্যের জুরিবোর্ডের নাম ঘোষণা

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৫:৫৮

ইশরাত নিশাত নাট্য পুরস্কার বাস্তবায়ন কমিটি ২০২৩ সালের জন্য ৯ সদস্য বিশিষ্ট জুরিবোর্ডের নাম ঘোষণা করেছে। গত ৪ ফেব্রুয়ারি বাস্তবায়ন কমিটির এক সভায় এই ৯ জনের নাম প্রস্তাব করা হয়। প্রস্তাবিত সকল সদস্য জুরির দায়িত্ব পালনে সম্মতি প্রদান করেন।

জুরিবোর্ড ২০২৩ এর সম্মানিত সদস্যরা হলেন- হৃদি হক (নাট্যকর্মী), নজরুল কবির (সাংবাদিক ও নাট্য সমালোচক), সাধনা আহমেদ (নাট্যকার ও মঞ্চ কর্মী), ফাহমিদা হক কলি (সহযোগী অধ্যাপক, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও উদীচী নাট্যকর্মী), খ ম হারুন (মিডিয়া ব্যক্তিত্ব; অধ্যক্ষ পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইন্সিটিউট), ড কামাল উদ্দিন কবির (অধ্যাপক নাট্যকলা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়), দেবপ্রসাদ দেবনাথ (সাধারণ সম্পাদক, ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইন্সিটিউট, বাংলাদেশ কেন্দ্র), ড. রশীদ হারুণ (অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), শফী আহমেদ (অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)। ২০২৩’র নির্বাচিত জুরি বোর্ডে প্রধান জুরির দায়িত্ব পালন করবেন অধ্যাপক শফি আহমেদ।

প্রস্তাবিত সদস্যদের সম্মতি সাপেক্ষে তাদের সাথে প্রাথমিক বৈঠক সম্পন্ন করা হয় গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে জুম অনলাইন সভার মাধ্যমে। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন বাস্তবায়ন কমিটির কো চেয়ারপার্সন নাসির উদ্দিন ইউসুফ। তিনি নীতিমালা, জুরি বোর্ডের স্বতন্ত্র কর্মপদ্ধতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।

ইশরাত নিশাত। ছবি: সংগৃহীত

জুরি বোর্ড প্রধান অধ্যাপক শফি আহমেদ সকল আগ্রহী নাট্য দলকে আহ্বান জানান, তাদের এবছরের নতুন নাটক মঞ্চায়নে জুরিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে সহযোগিতা করার জন্য। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন কমিটির পক্ষে মাসুম রেজা ও দেশ নাটক প্রধান কামাল আহমেদ। সভা পরিচালনা করেন ইশরাত নিশাত নাট্য পুরস্কার বাস্তবায়নের প্রধান সমন্বয়ক সেলিনা শেলী।

বাংলাদেশের থিয়েটার অঙ্গনের ‘বিদ্রোহী কণ্ঠ’ হিসেবে পরিচিত ইশরাত নিশাত ৫৬ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি। তিনি প্রয়াত অভিনেত্রী নাজমা আনোয়ারের মেয়ে। ইশরাত ‘দেশ নাটক’ নাট্যদলের সাথে যুক্ত ছিলেন। মঞ্চে একাধারে অভিনেত্রী, নির্দেশক ও আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে খ্যাতি কুড়িয়েছিলেন। তার মৃত্যুর তারিখে প্রতি বছর ইশরাত নিশাত নাট্য পুরস্কার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। 

ইত্তেফাক/বিএএফ