ইবি হলে নির্যাতন, দুই তদন্ত কমিটির কাছে ঘটনার বর্ণনা দিলেন ছাত্রী

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১১:৫৬

তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে নির্যাতনের শিকার নারী শিক্ষার্থী শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ক্যাম্পাসে এসেছিলেন। পরে তিনি হল কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে পৃথক তদন্ত কমিটিকে সেই রাতের দুর্বিষহ ঘটনা জানান। পরে তদন্ত কমিটি তাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে মুঠোফোনে ভুক্তভোগী নিজেই দৈনিক ইত্তেফাককে এ সব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাবা ও মামাকে নিয়ে দুপুর ১২টার দিকে ক্যাম্পাসে গিয়েছিলাম সন্ধ্যার আগে বের হয়েছি। সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। আমাকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিরাপত্তার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। বর্তমানে মামা বাড়ি শিলাইদহে অবস্থান করছি। তদন্তের প্রয়োজনে পরবর্তীতে আবার ক্যাম্পাসে আসতে হলে আসব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্যাতনের ঘটনার বর্ণনা শুনতে হল প্রভোস্টের কক্ষে আইন সেলের পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. রেবা মন্ডল, সদস্য ও খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. ইয়াসমিন আরা সাথী, সদস্য সচিব ও একাডেমিক শাখার উপ রেজিস্ট্রার আলীবদ্দীন খান, দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. শামসুল আলম, হল তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক এসোসিয়েট প্রফেসর আহসানুল হক উপস্থিত ছিলেন।

দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. শামসুল আলম বলেন, ভুক্তভোগীর কাছ থেকে আমরা তার বয়ান শুনেছি। আপাতত তদন্তের স্বার্থে কিছু বলছি না। খুব শিগগিরই সব জানানো হবে।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. রেবা মণ্ডল বলেন, তদন্তের স্বার্থে ভুক্তভোগী কী বলেছে তা গোপন রাখা হয়েছে। তবে এটুক বলবো সরেজমিনে তদন্ত করছি। দীর্ঘক্ষণ ভুক্তভোগীর কথা শুনেছি। সংশ্লিষ্ট মেয়েদের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত জায়গাগুলোও আমরা পরিদর্শন করেছি।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ বলেন, ভুক্তভোগী ক্যাম্পাসে পৌছালে প্রক্টরিয়াল বডির গাড়ি তাকে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে নিয়ে যায়। সহকারী প্রক্টর জয়শ্রী সেন সার্বক্ষণিক তার সঙ্গেই ছিলেন। পরে বয়ান শেষে তাকে গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়।

ইত্তেফাক/আরএজে