সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার মাঠে মাঠে এখন সবুজের সমারোহ। ফালগুনী হাওয়ায় বোরো ধানের গাছ লিক লিক করছে। সাড়ে ৪ লাখ কৃষিপরিবারসহ এ জেলার ২৫ লাখ লোকের একমাত্র ফসল বোরো ধান নিয়ে আশা ও স্বপ্নের শেষ নেই।
বোরো ভালোভাবে ঘরে উঠলে জেলাবাসীর সারা বছরের খোরাকি বাদে উদ্বৃত্ত থাকে। উদ্বৃত্ত ফসল জাতীয় অর্থনীতিতে যোগ হয়। তাই সরকারও এই ফসলটির ওপর গুরুত্ব রাখে। কারণ এখানকার মানুষের জীবন জীবিকা এই বোরোর ওপরই।
এদিকে জেলার প্রধান ফসল বোরো রক্ষার্থে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে সুনামগঞ্জ জেলার ১২টি উপজেলায় ২০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে হাওর রক্ষা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ১৫ ডিসেম্বর শুরু হওয়া হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ আগামী ৭ মার্চ সম্পন্ন করতে পানি উন্নয়ন বোর্ড, পিআইসি (প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি) মরিয়া। কিন্তু বুধ ও বৃহস্পতিবারের বৃষ্টি বাঁধের কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। বৃষ্টির কারণে কাদামাটিতে এক্সকাভেটর চলে না। মাটিও কাটা হচ্ছে না। এতে অন্তত ৬০০ এক্সকাভেটর কাজ ছাড়াই বসিয়ে রাখা হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, অনেক স্থানে মাটি ড্রেসিং হচ্ছে। দূর্বাঘাস লাগানো হচ্ছে।
