শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইবির সেই শিক্ষার্থী

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৩, ১৩:০৬

এবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে রাতভর নির্যাতনের শিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে তিনি মামলার প্রস্তুতির বিষয়টি দৈনিক ইত্তেফাককে নিশ্চিত করেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, সকালে বাবা ও ভাইকে নিয়ে কুষ্টিয়া জর্জ কোটে গিয়েছিলাম। খুব শিগগিরই মামলা করবো। অভিযুক্তদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করতে একটু দেরি হচ্ছে।

কাদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন সংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাকে যারা নির্যাতন, মারধর করেছে, প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত যারা ছিলেন। অন্তরা, তাবাসসুম, মোয়াবিয়া, উর্মি, মীম সঙ্গে নতুন একজন। ওনাদের নাম জানতাম না হলে তদন্তের জন্য গিয়ে ওনাদের নাম জেনেছি। এর বাইরে সেদিন রাতে অনেকে অনেক কিছু বলেছিল আমি কারো দিকে তাকাতে পারি নাই। ওরা বলেছিল কারো দিকে তাকালে আরও বেশি মারবো। 

মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতা চান কিনা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, পরে জানাবো।

হাইকোর্টের রায়ে কী প্রত্যাশা করেন জানতে চাইলে ওই শিক্ষার্থী বলেন, আমি প্রত্যাশা করি এরসঙ্গে যারা জড়িত তাদের যেনো আজীবনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। মামলায় যেনো প্রচলিত আইনানুযায়ী শাস্তি হয়।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী (কুষ্টিয়া আদালত) সিরাজ প্রমাণিক বলেন, ফুলপরী তার বাবা ও ভাইকে নিয়ে মামলার জন্য এসেছিল। আমি তথ্য উপাত্ত যা চেয়েছি তার ৮০ ভাগ তারা দিতে পেরেছে। মামলা করতে আসামিদের পূর্ণাঙ্গ নাম ও বাড়ির ঠিকানা প্রয়োজন হয়। আমি সবকিছু প্রস্তুত করে রেখেছি। তারা সব তথ্য উপাত্ত দিলে অচিরেই মামলা দাখিল করবো। ওর বিরুদ্ধে যে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে, ওকে অবরুদ্ধ করে এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে নিয়ে গেছে, যৌনাঙ্গে আঘাত, ভিডিও ধারণ এবং স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে এসব ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি আইনে যে যে ধারায় পড়ে সেগুলো নিয়ে মামলা করবো। এগুলো পর্ণগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ ও নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে পড়ে। মামলার আগে হাইকোর্টের আদেশের বিষয়টিও দেখা হবে।

ইত্তেফাক/আরএজে