সল্ট- মালানের পর ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে ডাকেট ও বাটলারকে সাজঘরে ফেরালো বাংলাদেশ। ডাকেটকে মুস্তাফিজ ও বাটলারকে আউট করেন পেসার হাসান মাহমুদ।
ইনিংসের প্রথম ওভারে বোলিংয়ে আসেন নাসুম। এই ওভার থেকে এক চারের সাহায্যে ৯ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। এরপর ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন তাসকিন আহমেদ। ওভারের প্রথম বলেই চার মারেন ফিল সল্ট। এই ওভার থেকেও ৯ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মুস্তাফিজকে বোলিংয়ে আনেন অধিনায়ক সাকিব। ওভারের দ্বিতীয় বলে চার মারেন সল্ট। এই ওভারে পাঁচ রান দেন মুস্তাফিজ। এরপর ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ফের বোলিংয়ে আসেন তাসকিন। ওভারের প্রথম বলেই চার মারেন জস বাটলার। এই ওভারে ৭ রান দেন তাসকিন।
ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ফের বোলিংয়ে আসেন মুস্তাফিজ। প্রথম বলেই চার মেরেন বাটলার। ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকান বাটলার। এই ওভার থেকে ১৩ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। এরপর ইনিংসের ছষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে আসেন নাসুম। ওভারে চতুর্থ বলে বাটলারের ক্যাচ ফেলে দেন সাকিব।
ইনিংসের সপ্তম ওভারে বোলিংয়ে আসেন সাকিব। এই ওভারে চার রান দেন তিনি। এরপর ইনিংসের অষ্টম ওভারে ফের বোলিংয়ে এসে ৫ রান দেন নাসুম। এরপর ইনিংসের নবম ওভারে বোলিংয়ে আসেন সাকিব। ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকান বাটলার। এই ওভারে ৮ রান দেন সাকিব।
ইনিংসের দশম ওভারে বোলিংয় আসেন নাসুম। ওভারে দ্বিতীয় বলে চার মারেন বাটলার। আর চতুর্থ বলে ছক্কা হাঁকান সল্ট। ওভারের শেষ বলে সল্টকে আউট করে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন নাসুম। শেষ পর্যন্ত ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৮০ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড।
সল্টের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন ডেভিড মালান। তবে ইনিংসের ১২ তম ওভারে বোলিংয়ে এসে মালানকে সাজঘরে ফেরান সাকিব। দলীয় ৮৮ রানে ৭ বলে ৪ রান করে আউট হন মালান। এরপর ক্রিজে আসেন বেন ডাকেট।
ডাকেটকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন বাটলার। ৩২ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন বাটলার। অর্ধশতক পূর্ণ করে আরও আগ্রাসী হয়ে খেলতে থাকেন তিনি। অন্যদিকে ডাকেটও হাতখুলে খেলতে থাকেন।
তবে ইনিংসের ১৬ তম ওভারে বেন ডাকেটকে বোল্ড করেন মুস্তাফিজ। দলীয় ১৩৫ ১৩ বলে ২০ রান করে সাজঘরে ফিরে যান ডাকেট। এরপর ১৭ তম ওভারের প্রথম বলেই বাটলারকে আউট করেন হাসান মাহমুদ। ৪২ বলে ৬৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে আউট হন বাটলার।
