বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

তাৎক্ষণিক লাইভে গিয়ে ভুল করেছি: মাহিয়া মাহি

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২৩, ২২:১০

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পুলিশের করা মামলায় ৬ ঘণ্টা কারাভোগের পর মুক্ত পেয়েছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। শনিবার (১৮ মার্চ) রাত পৌনে ৮টার দিকে গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। মুক্তির পর সংবাদ সম্মেলন করেন মাহি।

এসময় তিনি বলেন, শিগগিরই আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল স্যারের সঙ্গে কথা বলবো। তারাই এটার সত্যতা প্রমাণ করবেন। তবে তাৎক্ষণিক লাইভে গিয়ে ভুল করেছি। যেহেতু তিনি পুলিশ কমিশনার, তিনি আমাদের দেশের পুরো পুলিশ প্রশাসনকে প্রতিনিধিত্ব করেন। সুতরাং আমার বিষয়টি পুরো দেশের পুলিশকে বিব্রত করেছে। আমি সেটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। সেই সঙ্গে ক্ষমা চাই।

এর আগে মাহিয়া মাহি বলেন, আমি কারাগারের ভিতরে অনেক শান্তিতে ছিলাম। আমাকে যখন বিমান থেকে নিয়ে আসে তখন ইমিগ্রেশনের পুলিশ আমাকে কারও সঙ্গে কথা বলতে দিবে না, পুরো এয়ারপোর্ট ফাঁকা হয়ে গেছে।

কারামুক্তির পর সংবাদ সম্মেলনে কথা কথা বলেন মাহিয়া মাহি। ছবি: সংগৃহীত

এই নায়িকা আরও বলেন, আমি ভীতসন্ত্রস্ত। আমি মাহিয়া মাহি আমাকে যে মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমাকে একটা গাড়িতে আনা হয়েছে সেটা অনেক গরম ছিল। আমি পানি ঠাণ্ডা পানি চাচ্ছিলাম। একটু পরপর আমার তৃষ্ণা পাচ্ছিল। তারা একটা পানি কিনে দিতে এক ঘণ্টা সময় নিয়েছে।

মাহির ভাষ্য, যারা আমাদের শোরুম দখল করতে আসছিলো তাদের আমরা সিসি টিভি ক্যামেরায় দেখিছি। তারা সেখানে ভাঙচুর করেছে। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছুড়ে ফেলেছে। তাদের সান্মানার্থে সে ছবিগুলো আমি আপলোড করিনি। কারণ আমি চাইনা জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর অসম্মান হোক।

ন্যায় বিচার প্রসঙ্গে মাহি বলেন, আমাদের জায়গা মানুষ দখল করে নিয়ে যাচ্ছে- সেই জায়গা থেকে আমরা অসহায় ছিলাম। আমি একমাস ধরে ঘুরেছি। যে যে জায়গায় অভিযোগ করা দরকার সব জায়গায় অভিযোগ দিয়েছি। এরপর দখলদাররা আরও বেপরোয়া হয়ে গেছে। যখন আমরা দেশে নেই, ঠিক আমাদের জায়গা মানুষ দখল করে নিয়ে যাচ্ছে- এই সময় আমি লাইভে যা গিয়ে আমার কোনো উপায় ছিলো না।

ছবি: সংগৃহীত

এর আগে শনিবার বেলা ১২টার দিকে বিমানবন্দর এলাকা মাহিকে গ্রেপ্তার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে (সিএমএম) পাঠানো হয়। বিচারক রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়ার সাড়ে ৩ ঘণ্টা পরেই জামিন মিলে নায়িকার। বিকেল ৫টায় দিকে মাহিকে জামিন দেন আদালত। গর্ভবতী ও সেলিব্রেটি বিবেচনায় আদালত এ আদেশ দেন বলে জানান মাহির আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনোয়ার।

ইত্তেফাক/বিএএফ