মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

পরিচয় মিললো সৌদিতে নিহত ১৮ বাংলাদেশির

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২৩, ০৯:৪৪

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় আসির প্রদেশে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। একইসঙ্গে আহতবস্থায় সৌদির বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বা চিকিৎসা নিয়েছেন ১৬ জন বাংলাদেশি। বুধবার (২৯ মার্চ) জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের প্রথম সচিব আরিফুজ্জামান দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ১৮ জনের নামের তালিকা

১। নোয়াখালীর সেনবাগের শরিয়তউল্লাহর ছেলে শহিদুল ইসলাম

২। কুমিল্লার মুরাদনগরের আব্দুল আউয়ালের ছেলে মামুন মিয়া

৩। নোয়াখালীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

৪। লক্ষ্মীপুরের সবুজ হোসাইন

৫। কুমিল্লার মুরাদ নগরের রাসেল মোল্লা

৬। কক্সবাজারের মহেশখালীর মো. আসিফ

৭। গাজীপুরের টঙ্গীর আব্দুল লতিফের ছেলে মো. ইমাম হোসাইন রনি

৮। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কালু মিয়ার ছেলে রুকু মিয়া

৯। কক্সবাজারের মহেশখালীর শাফাতুল ইসলাম

১০। কুমিল্লার দেবিদ্বারের গিয়াস হামিদ

১১। যশোরের কোতোয়ালির মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম

১২। কক্সবাজারের রামু উপজেলার কাদের হোসাইনের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন

১৩। খাইরুল ইসলাম

১৪। রুহুল আমিন

১৫। তুষার মজুমদার

১৬। মিরাজ হোসাইন

১৭। সাকিব 

১৮। রানা মিয়া

জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মক্কাগামী বাসটিতে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩৪ জন বাংলাদেশি। দুর্ঘটনায় মোট ২২ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৮ জনই বাংলাদেশি নাগরিক।

এদিকে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিতে বাংলাদেশি যাত্রী ছাড়াও অন্যান্য দেশের ১২ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ৫ জনকে মৃত এবং ৭ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় সোমবার (২৭ মার্চ) সৌদির দক্ষিণাঞ্চলীয় আসির প্রদেশের আকাবা শার এলাকায় একটি সেতুতে যাত্রীবাহী একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে সেটি উল্টে যায় এবং আগুন ধরে যায়। হতাহতরা ওমরাহ পালন করতে মক্কায় যাচ্ছিলেন। ব্রেকজনিত সমস্যার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

দুর্ঘটনার পর রেড ক্রিসেন্ট দলসহ জরুরি পরিষেবা সংস্থাগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতের উদ্ধার করে পাশের হাসপাতালে পাঠান। একইসঙ্গে তারা এলাকাটি ঘিরে ফেলে।

রমজান শুরু হলে সৌদি আরবে ওমরাহযাত্রীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ঘটনাটি পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনায় হজ ও ওমরাহ পালনকারী যাত্রীদের নিরাপদে পরিবহনকে চ্যালেঞ্জে ফেলেছে।

এর আগে, ২০১৯ সালের অক্টোবরে মদিনার কাছে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। সে সময় ৩৫ জন বিদেশি নাগরিক নিহত হন। একইসঙ্গে আহত হয় চারজন।

ইত্তেফাক/আর