এ প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরি। রোমান্টিক সিনেমা দিয়ে নায়িকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। উপহার দিয়েছেন হিট সিনেমা। দর্শকমহলে তৈফা হয়েছে তার গ্রহণযোগ্যতা। সেই পূজা এবার ঈদে আসছেন ভৌতিক সিনেমা নিয়ে। নাদের চৌধুরী পরিচালিত ‘জ্বীন’ সিনেমায় দেখা মিলবে তার। সিনেমার টিজারে ভৌতিক আবহের আভাস মিলেছে।
‘জ্বীন’ প্রসঙ্গে পূজার বক্তব্য, সব অভিনয়শিল্পীদের স্বপ্ন থাকে, সব ধরনের কাজ করবে। ভৌতিক সিনেমার প্রতি আমার এক প্রকার ভালোবাসা আছে। আমার শুরু রোমান্টিক সিনেমার মাধ্যমে। এরপর অনেকগুলো কাজ করলাম। তারপর ‘জ্বীন’ সিনেমায় কাজের প্রস্তাব আসে। একটু অবাকও হয়েছিলাম এ জাতীয় সিনেমার প্রতি ভালোলাগা কাজ করে বলে।
‘জ্বীন’ সিনেমায় পূজার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আবদুন নূর সজল। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পূজা বলেন, ‘জাজ মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে এমন সিনেমায় কাজের সুযোগ হয়েছে। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করেছি একটি ভালো সিনেমা বানানোর। আশা করি দর্শক এই চেষ্টার মূল্যায়ন করবে।’
পূজার মতে, যেকোনো চরিত্র তুলে ধরা কঠিন। চ্যালেঞ্জ থাকে সব কটি সিনেমায়। তিনি জানান, প্রতিটি চরিত্রই চ্যালেঞ্জিং। যে চরিত্র আমাদের দেওয়া হয়, আমরা কেউই তা নই। তাই এ সিনেমায় কাজও চ্যালেঞ্জিং ছিল। ‘জ্বীন’ একজন মানুষের উপর ভর করলে কেমন আচরণ করে, কীভাবে তা থেকে ছাড়া পায়— এসব নিয়েই কাহিনি।
পূজা ভূতে বিশ্বাস না করলেও জ্বীন আছে বলে বিশ্বাস করেন। শুটিং করতে গিয়ে গা ছমছম অনুভূতি হয়েছে বলেও জানান। তিনি বলেন, ‘অনেক পুরানো জমিদার বাড়িতে কাজ করেছি। ওখানে কেউ সাধারণত যায় না। কাজ করতে গিয়ে মনে হয়েছে পেছনে কেউ আছে। পরে তাকিয়ে দেখি কেউই নেই। এরকম অনুভূতি হয়েছিল।’
প্রায় চার বছর পর ‘জ্বীন’ মুক্তি পাচ্ছে। পূজার মতে দেরীর ফল মিষ্টি হয়। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা চাচ্ছিলাম একটি ভালো সিনেমা সব দর্শক দেখুক। ভালো দিনক্ষণের অপেক্ষা করছিলাম। আমরা চাই চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরে আসুক। সেজন্যই অপেক্ষা। সবুরে মেওয়া ফলে।’
‘জ্বিন’ ছবির প্রচারণা নিয়ে পূজার ভাষ্য, আমরা চেষ্টা করছি প্রচারে ভিন্নতা আনার। এখনও তো সময় আছে।
অন্য কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে পূজার গতানুগতির উত্তর, ‘এখনই এ ব্যাপারে বলতে চাইছি না। সময় হলে আপনারা জানতে পারবেন।’
