বাসায় কেউ নেই। আর অমনি ঘরে ঢুকে চুরি হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। আর যদি তারকার বাড়িতে চুরি হয় সেটি নিয়ে তোলপাড় হয় সংবাদ মাধ্যমে। স্পেনের বার্সেলোনার কাস্তেলদেফেস অঞ্চলে মেসির বিশাল বাংলোতে চোর ঢুকে ছিল। কিন্তু চুরি করতে পারেননি। বাসায় কেউ ছিল না। মেসি ছিলেন প্যারিসে। কয়েক দিন আগে সকালের দিকে দুজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বাগানের ভেতর দিয়ে ঢুকে পড়ে দরজা-জানালা ভেঙ্গে বাড়ির মুল অংশে ঢুকতে চেয়েও সফল হয়নি-দাবী স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের।
বাসার দরজা ও জানালা ভেঙে ঢোকার চেষ্টা ব্যর্থ হলে গ্যারাজ দিয়েও ঢোকার চেষ্টা করেছিল চোরেরা। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ হয় চোর। ততক্ষণে খবর হয়ে যায়। পুলিশ আসছে টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এমনটাই জানিয়েছিল সংবাদমাধ্যম। যদিও দুই চোরের কীর্তি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। কালো হুডি পরে এসেছিল চোর। কাতালান ক্লাব বার্সেলোনায় ২১ বছর কাটিয়েছেন মেসি। ক্লাব ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সাফল্য বার্সা থেকেই পেয়েছেন জীবন্ত কিংবদন্তি। বার্সার মাঠ ক্যাম্প ন্যু থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরত্বে কাস্তেলদেফেস অঞ্চলে মেসির বাংলো। সংবাদমাধ্যম এর আগে জানিয়েছিল, ২০১৩ সালে ২১ লাখ ডলারে বাড়িটি কেনার পর সেখানে আরও ৭০ লাখ ডলার খরচ করেন মেসি।
নমেসির বিলাসবহুল এই বাড়িতে একটি ফুটবল মাঠ আছে। বাগানের মধ্যে এমন ব্যবস্থা করা আছে, যেখানে পরিবার নিয়ে রাতের খাবারও খাওয়া যাবে। এ ছাড়া সুইমিং পুল, বারবিকিউ করার আলাদা জায়গা আছে এবং রয়েছে বাড়ির উপরের অংশে ‘নো ফ্লাই জোন’। অর্থাৎ, মেসির বাংলোর উপর দিয়ে বিমান জাওয়া-আসা করতে পারবে না।
