উত্তরায় জমে উঠেছে ঈদের বাজার

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৩, ১৩:১৪

রাজধানীর উত্তরায় জমে উঠেছে ঈদের বাজার। মার্কেট থেকে ফুটপাত, সব জায়গায় গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দোকানিরা বলছেন, ক্রেতা উপস্থিতি বেশি হলেও বিক্রি এখনও ‘আশানুরূপ’ নয়। ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে, আশা করি বিক্রি খুব ভালো হবে।

ঈদ-উল-ফিতরের আর মাত্র সপ্তাহখানেক বাকি; এরইমধ্যে আসন্ন উৎসবকে ঘিরে জমে উঠেছে কেনাকাটা। বুধবার (১২ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভিড়। 

রাজধানীর উত্তরায় বেশ কয়েকটি মার্কেট ও শপিং মল ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতারা জামাকাপড়, জুতা, অলঙ্কারসহ বিভিন্ন জিনিস কেনার জন্য ভিড় করছেন দোকানে। বুধবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের ভিড়ও বাড়তে দেখা যায়।

রাজউক কর্মচারী কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সে ব্যবসায়ী সুতা ঘর কালারস হাউজের মালিক মোঃ জয়নাল আবেদীন রতন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে সকাল থেকে আমাদের মার্কেটে প্রচুর ভিড়। ইফতারের পর ক্রেতার সংখ্যা আরও বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, ক্রেতার সংখ্যা ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে। আশা করি এই অবস্থা ঈদ পর্যন্ত বজায় থাকবে। আমাদের মার্কেটের ক্রেতাদের আকর্ষণ করার জন্য র‍্যাফেল ড্র চালু করা হয়েছে। ১০০০ টাকার পণ্য ক্রয় করলে মিলবে একটি লাকি কুপন। যার মাধ্যমে ক্রেতারা জিতে নিতে পারেন মোটরসাইকেল, ফ্রিজসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার।

আমির কমপ্লেক্সে মার্কেটের আই.কে জুয়েলারি লি: ব্যবসায়ী মোঃ ইমরান চৌধুরী বলেন, দিন যতো যাচ্ছে, মানুষের ভিড়ও বাড়ছে। সাধারণত ঈদের কয়েকদিন আগে প্রতিটা দিন ভিড় বেশি হয়। আজ স্বাভাবিকের চেয়ে ক্রেতাদের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। মার্কেটের ক্রেতা সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেচাকেনা অনেক ভালো হচ্ছে।

রাজলক্ষী লিটন এন্টারপ্রাইজের মালিক মোঃ মানিক খান বলেন, আজ ভালো বিক্রি হচ্ছে। ছেলেদের পোশাকের চেয়ে মেয়েদের পোশাক বিক্রি হচ্ছে বেশি।

সুলতানা নামে এক ক্রেতা জানান, ঈদকে সামনে রেখে হাতে সময় নিয়ে সন্তানদের জন্য পোশাক কিনতে এসেছেন তিনি। আজ বাচ্চাদের জন্য কিনছি। নিজের জন্য হয়তো পরের সপ্তাহে কেনাকাটা করবো।

উত্তরা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেছেন, এবার ঈদ উপলক্ষে উত্তরা ব্যবসায়ীরা প্রায় কয়েক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। টানা দুই বছর করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পর গতবছর ঈদে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন তারা।

তিনি আরও বলেন, দেশের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, মালয়শিয়া, দুবাই ও থাইল্যান্ড থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে ঈদের জন্য কাপড় নিয়ে এসেছেন। ছোট দোকানগুলো ন্যূনতম ২০ থেকে ৫০ লাখ এবং মেগাশপগুলো কোটি টাকার ওপরে বিনিয়োগ করেছেন তারা। 

মাসকট টাওয়ার মার্কেটের ব্যবসায়ী মোঃ জহিরুল বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ঈদের জন্য শাড়ি নিয়ে এসেছি। আশাবাদী এবার ঈদে খুবই ভালো বেচাকেনা করতে পারবো।

ইত্তেফাক/আর