ঘরের মাঠে প্রথম লেগে ২-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তাই সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বেশ এগিয়ে থেকেই দ্বিতীয় লেগে মাঠে নামে লস ব্লাঙ্কোসরা। অন্যদিকে ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছিল চেলসি। তবে রদ্রিগোর জোড়া গোলে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-০ ব্যবধানের জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে উঠেছে কার্লো আনচেলত্তির শীর্ষরা।
গতরাতে চেলসির মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে রিয়াল। ম্যাচের ২০ মিনিটে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে রিয়াল। দানি কারভাহালের কাছ থেকে বল পেয়ে দ্রুত গতির শট নিয়েছিলেন রদ্রিগো। কিন্তু চেলসির পোস্টের গা ঘেঁষে চলে যায় ব্রাজিলিয়ান রদ্রিগোর শটটি।
এরপর ম্যাচের ৩২ মিনিটে কারভাহালের কাছ থেকে বল পেয়ে চেলসির গোলমুখে শট নেন রিয়ালের লুকা মড্রিচ। সেটি কর্ণারের বিনিময়ে রক্ষা করেন চেলসির গোলরক্ষক কেপা আরিসাবালাগা।
প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে রিয়ালকে গোল হজম থেকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার। ডি বক্স থেকে চেলসির মার্ক কোরেইয়ার শট দারুণ দক্ষতায় ডান দিকে ঝাপিয়ে রক্ষা করেন কোর্তোয়া। শেষ পর্যন্ত গোলশুন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে খেলতে থাকা রিয়াল গোলের দেখা পায়। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে ডান দিক দিয়ে বল নিয়ে রদ্রিগোকে যোগান দেন ভিনিসিয়াস। বল পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি রদ্রিগো। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল। আর এই গোল করেই দর্শকদের চমকে দেন তিনি। সাধারণত গোল করার পর হাঁটু গেড়ে স্লাইড মেরে উদযাপন করেন করেন রদ্রিগো।
তবে এই দিন গোল করার পর রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো 'সিউউউউউউ' উদযাপন করেন এই ব্রাজিলিয়ান। এরপর ম্যাচে সমতা ফেরাতে আক্রমণের ধার বাড়িয়েও রিয়ালের রক্ষণদূর্গ ভাঙ্গতে পারেনি চেলসি। উল্টো ম্যাচের ৮০ মিনিটে দ্বিতীয় গোল হজম করে চেলসি।
ভিনিসিয়াসের কাছ থেকে বল পেয়ে চেলসির বিপদ সীমানায় প্রবেশ করেন মিডফিল্ডার ভালভার্দে। ডান প্রান্তে থাকা রদ্রিগোকে বল পাস দেন তিনি। বল নিয়ে বুদ্ধিমত্তার সাথে দ্বিতীয় গোল আদায় করে রদ্রিগো। রদ্রিগোর জোড়া গোলেই ২-০ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে রিয়াল।
