গুচ্ছ ভর্তির ভোগান্তি লাঘবে জবি শিক্ষক সমিতির ৯ দাবি

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৩, ২৩:৫৮

গুচ্ছের স্নাতক ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের আবেদন ফি নির্ধারণ, মেধাতালিকা প্রকাশ ও আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন সহ শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাঘবে ৯ দফা দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

বুধবার (১৯ এপ্রিল) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত সোমবার শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে অনলাইনে এক জরুরী সাধারণ সভায় সর্বসম্মতভাবে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়।

দাবির বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুচ্ছ ভর্তির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ৫শ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। পরীক্ষা পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ভর্তুকি দিতে পারে; পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত স্কোর ও মেধাক্রম অবশ্যই প্রকাশ করতে হবে; ভর্তির আবেদন ফি ব্যতীত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন, মাইগ্রেশন, ভর্তি বাতিল বা অন্য কোনো কারণে অর্থ প্রদান করবে না; পরীক্ষা পরিচালনা, পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকাণ্ড এবং সুস্পষ্ট আর্থিক নীতিমালা অনতিবিলম্বে প্রণয়ন করে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে জানাতে হবে; ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের আয়-ব্যয়ের হিসাব দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিস্তারিত আকারে প্রকাশ করতে হবে; আসন সংখ্যার ভিত্তিতে নয় বরং গুচ্ছভূক্ত প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা অনুযায়ী কেন্দ্র ও অন্যান্য ফি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রদান করতে হবে; ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার সম্মানী বাবদ উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্টারসহ অন্যান্য কর্মকর্তা, শিক্ষকগণ কোন কাজের জন্য, কে কি পরিমাণ সম্মানী গ্রহণ করেছেন তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করতে হবে; ভর্তির সকল প্রক্রিয়া শেষ করে ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু করতে হবে।

এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে এবং উপাচার্যের কাজের সুবিধার্থে নিজ কক্ষে কোনো শিক্ষক যেন অপ্রয়োজনে আনাগোনা করতে না পারেন, সেই নির্দেশনা জারির দাবিও জানান শিক্ষক সমিতি।

এবিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান বলেন, গত ৬৬তম একাডেমিক কাউন্সিলে আমরা বলেছি যে রাতের মধ্যে শিক্ষক সমিতি সাধারণ সভা করব এবং সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রয়োজনে রাতেই উপাচার্যকে জানাবো। কিন্তু তিনি সে অনুরোধ রাখেননি। এত কিছুর পরেও এবং রাষ্ট্রপতির প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি নিয়ে আইনগত প্রশ্ন থাকলেও রাষ্ট্রপতির অভিপ্রায় ও প্রজ্ঞাপনকে সম্মান জানিয়ে আমরা এবারের মত গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় শর্তসাপেক্ষে অংশগ্রহণে মত দিয়েছি।

 

ইত্তেফাক/ইআ