প্রথম লেগে নিজেদের মাঠেই ২-০ গোলের হার। ইন্টারকে টপকে বেনফিকা যে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে উঠবে সেটি হয়তো ভাবেনি কেউই। তবে সান সিরোতে এসে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ঠিকই চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছে পর্তুগিজ ক্লাবটি। প্রাণপন চেষ্টা করেও শেষমেশ আর পেরে ওঠেনি বেনফিকা। প্রতিপক্ষের মাঠে ৩-৩ গোলে ড্র করেও দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৩ গোলে পিছিয়ে শেষ আট থেকেই বাদ পড়েছে বেনফিকা। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইন্টারের প্রতিপক্ষ তাদেরই নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এসি মিলান।
সান সিরোতে ম্যাচের ১৪ মিনিটেই বেনফিকার বিপক্ষে লিডফ নেয় ইন্টার। লাউতারো মার্টিনেজের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান করে ডি বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে বেনফিকার জালে বল জড়ান নিকোলো বারেল্লা।
পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করে বেনফিকা। ৩৮ মিনিটে সমতায়ও ফেরে পর্তুগিজ ক্লাবটি। ফ্রেডরিক অর্সনেস হেড করে ইন্টারের জালে বল জড়ালে সমতায় ফেরে বেনফিকা।
১-১ গোলের সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল। বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৬৫ মিনিটে ইন্টারকে ফের এগিয়ে নেন মার্টিনেজ। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে মার্টিনেজের বদলেই মাঠে নামা জোয়াকিন কোরেয়াও বেনফিকার জালে বল জড়ালে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার।
ইন্টারের সেমিফাইনাল প্রায় নিশ্চিৎ হয়ে গেছে ধরে নিয়েই শেষদিকে একটু গা ছাড়া দিয়েই বসেছিলো স্বাগতিকরা। সেই সুযোগে ম্যাচের শেষ দিকে এসে ম্যাচে ফেরার শেষ চেষ্টাও করে বেনফিকা। ৮৫ মিনিটে অ্যান্তোনিও সিলভা আর ইনজুরি টাইমের ৯৫ মিনিটে গিয়ে গোল করেন পিটার মুসা।
সান সিরোতে দুর্দান্ত লড়াই করে ৩-৩ গোলে ড্র করলেও আগের লেগে নিজেদের মাঠে ২-০ গোলের হারটাই কাল হয়ে দাঁড়ায় বেনফিকার জন্য। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৩ গোলে পিছিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় বেনফিকা।
সেমিফাইনালে ঐতিহাসিক মিলান ডার্বিতে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এসি মিলানের মুখোমুখি হবে ইন্টার। এর আগেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুইবার মুখোমুখি হয়েছিলো দুই নগর প্রতিদ্বন্দ্বী। ২০০২-০৩ মৌসুমের সেমিফাইনালে এবং ২০০৪-০৫ মৌসুমের কোয়ার্টার ফাইনালে, দুইবারই ইন্টারকে হারিয়ে পরের ধাপে জায়গা নিশ্চিত করেছিলো এসি মিলান।ড্রর
