ঈদের দিনটা পরিবারের সঙ্গে কাটাতে পারেননি অনূর্ধ্ব-১৭ মেয়েদের ফুটবল দল। বাফুফে ভবনে ছিল তারা। সিঙ্গাপুর যাবেন এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবলের গ্রুপ পর্বে খেলতে। সে কারণে মেয়েরা বাড়ি যায়নি। বাবা-মায়ের, কথা পরিবারের কথা মনে পড়বে। মনটা যেন খারাপ না হয় সেদিকটা মাথায় রেখে ঈদুল ফিতরের দিনে খেলোয়াড়দেরকে মাতিয়ে রাখতে হাজির হয়েছিলেন বাফুফের মহিলা ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ। কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটনসহ খেলোয়াড়দের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করলেন সবাই। এক সঙ্গে উদ্যাপন করলেন। বাবা-মায়ের কথা মনে পড়লেও নাদিয়া, রিতু, মুন্নি, জুঁই, বিথি, অধিনায়ক রুমা আক্তার, নতুন ঢাক পাওয়া আরিফা, প্রীতি, সাগরিকা, ঐশী খাতুনদের মনটা ভালো লাগে তারা দেশের পতাকা বুকে নিয়ে বিদেশে যাবে। দেশের জন্য লড়াই করবে। ভিন্ন ধর্মের হলেও থুইনু মার্মা, উমেহ্লা মার্মা, সঙ্গীতা রানী দাস, পূজা দাস, তৃষ্ণা রানীরা সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছে। সহ খেলোয়াড়দের সঙ্গে উত্সবে মেতে ছিল। ঈদের পর দিনই রাতে সিঙ্গাপুর গেছে অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল দল। আগামীকাল তাদের খেলা। তুর্কমিনিস্তানের বিপক্ষে। রবিবার সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে দ্বিতীয় এবং শেষ ম্যাচ।
উজবেকিস্তানে আগামী বছর অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্ট। সেই টুর্নামেন্টের বাছাইয়ে বাংলাদেশ খেলছে ‘ডি’ গ্রুপে। মাত্র তিন দেশের লড়াই। একটি দেশে দ্বিতীয় পর্বে যাবে। সহ-অধিনায়ক জয়নব বিবি ছাড়া বাদবাকি সবাই এই প্রথম বিদেশের মাটিতে খেলতে গেলেন। তাদের কাছে রোমাঞ্চের সফর। কঠিন হবে তুর্কমিনিস্তান এবং সিঙ্গাপুরকে হারানো। তার পরও আশা ছাড়েননি কোচ ছোটন। সাফে খেলা দল এটি। সাহস আছে।
২০১৭ সালে সাবিনারা সিঙ্গাপুরে খেলতে গিয়ে ২ ম্যাচ হেরে ফিরেছিলো। এবার নতুনরা কি করে সেটাই দেখার অপেক্ষা।
