রংপুরের গঙ্গাচড়ায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এশিয়ান টেলিভিশনের বিভাগীয় প্রতিনিধি বাদশাহ ওসমানীসহ চার সাংবাদিক সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছেন। বুধবার (২৬ এপ্রিল) বিকালে গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়নের চল্লিশ সাল চর সংলগ্ন এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত অন্যরা হলেন, সাংবাদিক একেএম সুমন মিয়া, এশিয়ান টেলিভিশনের ক্যামেরপার্সন আরিফুল ইসলাম ও রাকিবুল ইসলাম।
গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এশিয়ান টেলিভিশনের বিভাগীয় প্রধান বাদশাহ ওসমানী। আহত অন্য সাংবাদিকরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক বাদশাহ ওসমানী বাদী হয়ে হামলাকারী সন্ত্রাসী লুলু মিয়া ও তার ছেলে রাজু মিয়াসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, বুধবার বিকালে গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুরে তিস্তা নদীর চরে চাষ হওয়া ভুট্টার ফলনের সচিত্র প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহে যান বাদশাহ ওসমানীসহ চার সাংবাদিক। সেখান ভিডিও ধারণ ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শেষে ফেরার সময় চল্লিশ সাল চর সংলগ্ন এলাকায় লুলু মিয়া ও তার ছেলে রাজু মিয়াসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পেছন দিক হতে অতর্কিত হামলা চালায়।হামলাকারীরা এলো পাতাড়িভাবে মারধর করে আহত করার পাশাপাশি ব্যবহৃত ক্যামেরা, লাইভ ডিভাইস ও ওয়্যারলেস মাইক্রোফোন ভাঙচুর করে তা ছিনিয়ে নেয়।
এ হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা। তারা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন রংপুরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন।
গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশের ওসি দুলাল হোসেন জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োাজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার রাতেই লুলু মিয়া নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
