প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে মোবাইল আর্থিক সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’-এর মাধ্যমে। সে অনুযায়ী গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহায়তাও নগদের মাধ্যমে দেওয়া হবে। রবিবার (৩০ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ২৩ এপ্রিল দিবাগত রাতে কোটালীপাড়া পৌরসভার ঘাঘর বাজারে আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে বাজারের বেশকিছু দোকান পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের নিজের ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সহায়তা দেওয়া সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রত্যেকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান পাবেন প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে। ইতোমধ্যে অনুদান বিতরণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে পাওয়া বিশেষ এই দায়িত্ব সম্পর্কে নগদের হেড অব পাবলিক কমিউনিকেশন্স জাহিদুল ইসলাম সজল বলেন, ‘সরকারের দিক থেকে পাওয়া ছোট-বড় সব দায়িত্ব আমরা সব সময় সূচারুভাবে সম্পন্ন করে আসছি।’
তিনি বলেন, ‘করোনার সময় নগদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপবৃত্তি এবং সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ভাতা সফলভাবে বিতরণ করেছে নগদ। এছাড়া বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীতে দুস্থ নারীদের অনুদান বিতরণসহ মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুদান বিতরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও নগদ সফলভাবে করেছে।’
ইতিমধ্যে সরকারি ভাতা ও অন্যান্য সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে নগদ একটি রোল মডেল হিসেবে পরিণত হয়েছে। কোভিডের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ দিয়ে এই প্রক্রিয়ার শুরু হয়। এরপর একে একে দেড় কোটি প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণ বা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় অর্ধকোটির ওপরে বিধবা-স্বামী নিগৃহীতা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়ষ্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী শিশু ভাতা এবং শিক্ষা উপবৃত্তি সাফল্যের সঙ্গে বিতরণ করে আসছে নগদ। তাছাড়া বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীতে দুস্থ মহিলাদের অনুদান বিতরণসহ মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুদান বিতরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও নগদ সফলভাবে করেছে।
