বাফুফে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ সুমনের

আপডেট : ০৩ মে ২০২৩, ১৮:২১

আবু নাঈম সোহাগের দুর্নীতি কান্ডে ফিফা কর্তৃক নিষিদ্ধ হওয়ার জেরে বিগত কিছুদিন ধরে ব্যাপক তোলপাড় চলছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারশনে (বাফুফে)। এরই মধ্যে যেন আগুনে ঘি ঢাললেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এর আগেও বিভিন্ন সময় বাফুফের নানা অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সুমন। এবার বাফুফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্তের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করলেন সুমন। 

আজ বুধবার (৩ মে) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যান বরাবর বাফুফের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির তদন্ত চেয়ে আবেদন জমা দেন ব্যারিস্টার সুমন।

দুদকের কার্যালয়ে অভিযোগ জমা দেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। তিনি বলেন, আবু নাঈম সোহাগ একা বাফুফেতে অনিয়ম-দুর্নীতি করেননি। তার সঙ্গে সভাপতি, সহ সভাপতিসহ ঊর্ধ্বতনরা জড়িত। শুধু তাই নয়, অভিযোগ বিষয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দুদক কোনো ব্যবস্থা না নিলে হাইকোর্টে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
  
ব্যারিস্টার সুমন আরও বলেন, দুর্নীতির প্রমাণ পেয়ে আবু নাঈম সোহাগকে দুই বছরের জন্য সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করেছে ফেডারেশন অব ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ফিফা)। এছাড়া বাংলাদেশি মুদ্রায় তাকে প্রায় ১২ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়। এরপর বাফুফে থেকেও আজীবন বহিষ্কৃত হন আবু নাঈম সোহাগ। এ ব্যাপারে দুদকেরও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

দুদকের কাছে যে অভিযোগ করা হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সংস্থাটি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে হাইকোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন ব্যারিস্টার সুমন। 

দুদকের কাছে করা সুমনের অভিযোগপত্রে বাফুফে সভাপতি মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি ও অর্থ কমিটির সভাপতি সালাম মুর্শেদীসহ বড় পদের কয়েকজন কর্মকর্তার নাম রয়েছে বলেও জানা গেছে। 

প্রসঙ্গত, গত ১৪ এপ্রিল বাফুফের সাবেক সাধারাণ সম্পাদক  সোহাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে নিজেদের ওয়েবসাইটে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ফিফা। প্রতিবেদনে বলা হয়, অসততা, জালিয়াতি ও মিথ্যাচার এবং অর্থ অপব্যবহারের মতো গুরুতর বিষয়ে জড়িত সোহাগ। এসময় সবধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে সোহাগকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ফিফা, সঙ্গে ১২ লাখ টাকা অর্থ জরিমানাও করে ফিফাকে।

ইত্তেফাক/এসএস