জাহাঙ্গীর মাকে প্রার্থী করেছেন যে কারণে

আপডেট : ০৩ মে ২০২৩, ২০:১০

২০১৩ সালে গাজীপুর সিটির প্রথম নির্বাচনেও দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনেই প্রার্থী হয়েছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। নানা নাটকীয়তার পর জাহাঙ্গীর প্রচারে না নামলেও সেই নির্বাচনে আজমত উল্লাকে হারতে হয়।

দ্বিতীয়বার ২০১৮ সালে জাহাঙ্গীর দলের মনোনীত প্রার্থী হয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়। কিন্তু দুই বছর আগে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর মেয়র পদও হারান তিনি। ১ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরকে ক্ষমা করে দলে ফিরিয়ে নিলেও জোটেনি দলের মনোনয়ন। 

মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনের মাঠ থেকে সরেননি জাহাঙ্গীর। ফলে তার তৎপরতায় ১০ বছর আগে অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনছেন অনেকেই। ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত জাহাঙ্গীর আলমের থাকা, না থাকার ওপর ভিত্তি করেই মিলাচ্ছেন সব হিসাব-নিকাশ।  

কেন্দ্রীয় নেতারা নানা হুঁশিয়ারি দিলেও সিটি নির্বাচনে বেশ শক্তভাবেই মাঠে আছেন জাহাঙ্গীর। ঋণখেলাপির দায়ে মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে তিনি আপিলও করেছেন। প্রয়োজনে আদালতে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। 

এ ছাড়া তার মায়ের জমা দেওয়া মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন না টিকলেও তাকে যে সহজে নির্বাচন থেকে সরানো যাবে না; তা স্পষ্ট।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক আসাদুল্লাহ বাদশা বলেন, সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম গ্যারান্টার হওয়ায় ঋণখেলাপি হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি আইনি লড়ায়ে বৈধতা পাবেন। এ ছাড়া একা থাকলে ভোটকক্ষে একজন করে এজেন্ট পাবেন আর মা-ছেলে দুজন প্রার্থী হলে ভোটকক্ষে দুজন করে এজেন্ট দিতে পারবেন।

অপরদিকে জাহাঙ্গীর আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকতে পারবেন কী না-তা নিয়ে নগরজুড়ে চলছে আলোচনা ও ব্যাপক কৌতূহল। যদি তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকেন তবে ভোটের হিসাব হবে অন্যরকম। 

ইত্তেফাক/পিও