বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ছাড়া অন্য কোথাও সবচেয়ে বেশি দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়াম নেই। মিরপুর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা হয়। দেশের বাদবাকি যেসব স্টেডিয়াম রয়েছে সেসব মাঠে আর্জেন্টিনা খেলতে পারবে না। অনেক সুযোগ-সুবিধা নেই। যেহেতু বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম সংস্কার কাজ সহসাই শেষ হচ্ছে না তাই এই জুনে আর্জেন্টিনাকে বাংলাদেশে আনার সুযোগ নেই। ওয়ার্ল্ড ইলেভেন এশিয়ায় আর্জেন্টিনাকে আনার দায়িত্ব পেয়েছিল।
চীনে ম্যাচ খেলতে যাওয়ার কথা মেসিদের। এছাড়া একটা ম্যাচ বাংলাদেশে খেলতেও আগ্রহী ছিল আর্জেন্টিনা। ওয়ার্ল্ড ইলেভেনের কর্মকর্তা সাবেক ফুটবলার সহিদুর রহমান সান্টু জানিয়েছিলেন। মাঠ প্রস্তুত না হলে খেলবে কোথায়। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ফ্লাড লাইট বসানোর কাজ কবে শুরু হবে আর কবে শেষ হবে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। চেয়ার বসানোর কথা থাকলেও সেটি হয়নি এখন। শেড লাগানোর কাজ অর্ধেকও শেষ হয়নি। এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ হতে হতে জুন পেরিয়ে যাবে। তাই আর্জেন্টিনা নিয়ে এখন আর আগ্রহ নেই। বাফুফে জানিয়ে দিয়েছে সে কথা। মাঠ সমস্যার কারণে মেসিরা আসতে পারলেন না।
গতকাল বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম আগামী বছরের আগে প্রস্তুত হচ্ছে না। এটাই যদি হয় তাহলে আর্জেন্টিনাকে এনে খেলাব কোথায়। বিষয়টা আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনকে জানিয়ে দিয়েছি।’
সান্টু জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনাকে আনার ব্যাপারে তিনি সালাহউদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু মাঠ যদি না পাওয়া যায় তাহলে এই আলোচনা করার সুযোগ কোথায়।’ ১২-২০ জুন ফিফার উইনডো। এই সময় আর্জেন্টিনাকে বাংলাদেশে আনিয়ে খেলানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশে আর্জেন্টিনাকে এনে প্রীতি ম্যাচ খেলাতে গেলে শত কোটি টাকার বেশি খরচ হতো। সেই অর্থ সংগ্রহে দেশের একটি বড় প্রতিষ্ঠান কাজ করছিল। তারা সালাহউদ্দিনকে সবুজ সংকতে দিয়েছিলেন। এখানে বাফুফে হতে টাকা খরচ করতে হবে না। আর অন্যদিকে আর্জেন্টিনা বাংলাদেশে আসতে খুব আগ্রহ দেখিয়েছিল। তারা জানত বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার ফ্যান ফলোয়ার কোটি কোটি। সেই সম্মানে বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহ ছিল।
১৯৮৩ সালে মালয়েশিয়ায় মারদেকা কাপে আর্জেন্টিনা একাদশের বিপক্ষে খেলেছিল বাংলাদেশ। আর্জেন্টিনা ৫-২ গোলে বাংলাদেশকে হারিয়েছিল। সেই ম্যাচে বাংলাদেশের গোলদাতা ছিলেন চুন্নু এবং আসলাম।
