ভবনের ডিজাইন পাসে লাগবে ফায়ার, প্লাম্বিং ও স্ট্রাকচারাল রিপোর্ট

আপডেট : ০৪ মে ২০২৩, ১৮:৫০

আগামী ১ জুন থেকে ভবনের ডিজাইন পাস করতে ফায়ার, প্লাম্বিং ও স্ট্রাকচারাল রিপোর্ট জমা দিতে হবে। এ ছাড়া ভবনের ডিজাইন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত ‘নগর সংলাপ’ এ কথা বলেন রাজউকের চেয়ারম্যান।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, আজকের সংলাপেও উঠে এসেছে, ভবন নির্মাণের সময় নানা অসঙ্গতির জন্য কীভাবে অগ্নিখাণ্ড ঘটে। সেটি রোধ করতেই আমরা সামগ্রিক প্ল্যানসহ ভবনের ডিজাইন পাস করব। এখন থেকে একজন প্রকৌশলী অথবা স্থপতি সুপারভাইজার হিসেবে থাকবেন যিনি ভবনের ডিজাইন পাস করার পর সেটি ঠিকভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করবেন। সেই সুপারভাইজারের হনারিয়াম দেবে ভবনের মালিক। তবে তা যেন অত্যধিক না হয় সেটি দেখবে প্রকৌশলীদের সংগঠন আইইবি ও অন্যান্য সংগঠন। আবার সুপারভাইজাররা যদি কাজে গাফিলতি দেখান তা রাজউক অফিসিয়ালি আইইবিকে জানাবে। এভাবে ভবন নির্মাণের সময় পানির রিজার্ভার ঠিকমত নির্মাণ হলো কিনা, চাহিদা অনুযায়ী বৈদ্যুতিক লাইন নেওয়া হল কিনা, সঠিকভাবে ডাক্ট পাইপ নির্মাণ করা হল কিনা ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ করার ফলে পরবর্তী সময়ে অগ্নিদুর্ঘটনা প্রতিরোধে অনেকটাই সহায়ক হবে।

এছাড়াও হাজারীবাগে ট্যানারি শিল্পের পরিত্যক্ত ৩০০ বিঘা জমিতে ‘আরবান রিজেনারেশন প্রোগ্রাম’ এর আওতায় পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা তৈরির পরিকল্পনা আছে বলেও জানান তিনি। পুরান ঢাকা ও অন্যান্য এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বাসিন্দারা চাইলে এখানে তাদের পুনর্বাসন করা যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে পূর্বাচল সাড়ে চারশ বিঘা বন সংরক্ষণে বন অধিদফতরের সঙ্গেও কথা বলছেন বলে জানালেন রাজউক চেয়ারম্যান।

ইত্তেফাক/এনএ/পিও