সাফে বাংলাদেশ ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হওয়া তো দূরের কথা আদৌ ফাইনালে উঠতে পারবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে এবার। ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে আগামী ২১ জুন বসবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আসর।
এবার ৮ দেশ নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায় দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)। এখন পর্যন্ত ৭ দেশ নিশ্চিত করেছে। আরো একটি দেশের অপেক্ষায় রয়েছে সাফ। এশিয়ার কোনো দেশকে দেখা যাবে এই টুর্নামেন্টে। সৌদি আরব এবং মালয়েশিয়া আরো আগেই না করে দিয়েছে। তারা সাফে খেলতে চায় না।
সিরিয়া, কুয়েত, জর্ডান, বাহারাইন, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হলে কুয়েত ফুটবল দল রাজি হয়েছে তারা ভারতে আসবে। তাতেও হচ্ছে না। সাফ অপেক্ষা করছে আরো একটি দেশ নেওয়া যায় কিনা। গতকাল সাফের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল জানিয়েছেন অষ্টম দেশের জন্য তারা ১৫ মে পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। সাফে খেলবে বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, কুয়েত। শ্রীলঙ্কা ফিফার নিষেধাজ্ঞায় রয়েছে। তাই আরেকটি দেশ দরকার।
বারবার ভারত সাফের ট্রফি নিয়ে যাচ্ছে। ভারত চায় সাফ আরো শক্তিশালী হোক। সাফ শক্তিশালী হলে বাংলাদেশের জন্য খারাপ খবর। আবারও গ্রুপ পর্ব হতে বিদায় নেয় কিনা শঙ্কা থেকে যায়।
আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল সাফ ক্লাব কাপ ফুটবল। এই টুর্নামেন্ট আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে। সাফের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল জানিয়েছেন স্পন্সর চূড়ান্ত হয়েছে। স্পোর্টস পার্টনার ইন্টারন্যাশনাল স্পন্সর।
সাফ ক্লাব কাপ হবে সেটি অনেক দিন ধরেই শুধু কথার মধ্যেই চলছে। এবার নাকি পাকাপোক্ত হয়েছে। চার বছরের জন্য নতুন স্পন্সর হয়েছে।
গতকাল ঢাকায় হওয়া সাফের কংগ্রেসে সাফের শূন্য দুটি সহসভাপতি পদ ভরাট করা হয়েছে। নেপাল এবং মালদ্বীপ থেকে দুজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। শ্রীলঙ্কা ফিফার নিষেধাজ্ঞায় রয়েছে। পাকিস্তানে এডহক কমিটি চলছে। সেখান থেকে প্রতিনিধি রাখা যায়নি। সাফের কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয় সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে। নেপাল, ভারত, ভুটান, বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে। সাফ থেকে চার বছরের জন্য এএফসিতে প্রতিনিধি হয়েছেন ভারতের ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাজী প্রভাকরণ। তার নামটিও কংগ্রেসে অনুমোদন হয়।
সাফের একাধিক এজেন্ডার মধ্যে অডিট রিপোর্ট এবং সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলো অনুমোদন হয়েছে। হেলাল জানিয়েছেন,‘পাকিস্তান ফুটবল চলছে এডহক কমিটিতে। তাদের প্রতিনিধি আসার কথা ছিল কিন্তু ভিসা জটিলতায় আসতে পারছে না। আর ওদের এডহক কমিটি থেকে নির্বাচন করার সুযোগ নেই। কারণ এখন এডহক কমিটি থাকলেও সেটি যে কোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে। তখন যদি ঐ ব্যক্তি ফেডারেশনে না আসতে পারেন তখন কাজের সমস্যা হয়ে যাবে।’ শ্রীলঙ্কার বিষয়ে হেলাল বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা যেহেতু ফিফার নিষেধাজ্ঞায় রয়েছে তাই তারা নির্বাচন করতে পারেনি।’
