রাশিয়ার বিজয় দিবসের আগে ইউক্রেনে ব্যাপক হামলা

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০১:১২

রাশিয়ার বিজয় দিবসের প্রাক্কালে মস্কো কিয়েভ এবং ইউক্রেনজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা জোরদার করেছে। সোমবার (৮ মে) ভোরে কিয়েভের বিভিন্ন অংশে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া কৃষ্ণ সাগরের বন্দর নগরী ওডেসায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি খাদ্য গুদাম পুড়ে গেছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মস্কো মঙ্গলবার (৯ মে) বিজয় দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন, কারণ এই দিনে সোভিয়েত সেনাবাহিনী নাৎসি জার্মান বাহিনীকে পরাজিত করেছিল।

রাশিয়ার বিজয় দিবসের প্রাক্কালে মস্কো কিয়েভ এবং ইউক্রেনজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা জোরদার করেছে।
 
তিনি ইউক্রেনে 'নাৎসিবাদের নতুন অবতার' ধ্বংস করার জন্য প্রায়শই সেই যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাশিয়ান সেনাবাহিনীকে অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করেছিলেন। ইউক্রেনের শীর্ষ জেনারেল জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের মধ্যে অবরুদ্ধ শহর বাখমুত দখলের জন্য গোলাবর্ষণ জোরদার করেছে রাশিয়া।
 
রাশিয়ার ভাড়াটে গোষ্ঠী ওয়াগনার গ্রুপ বাখমুত থেকে সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা বাতিল করেছে বলে জানা গেছে। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিটস্কো তার টেলিগ্রাম বার্তা চ্যানেলে জানিয়েছেন, পশ্চিমাঞ্চলীয় সোলোমিয়ানস্কি জেলায় একটি বিস্ফোরণে তিনজন আহত হয়েছেন। 

ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন, কারণ এই দিনে সোভিয়েত সেনাবাহিনী নাৎসি জার্মান বাহিনীকে পরাজিত করেছিল।

সোভিয়াতোশিন জেলায় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আরও দুইজন আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকাজুড়ে কয়েক ঘণ্টা বিমান হামলার সতর্কতা সাইরেন বাজানোর পর দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাপোরিজিয়া অঞ্চলে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
 
জাপোরিজিয়ায় রাশিয়ার স্থানীয় কর্মকর্তা ভ্লাদিমির রোগোভ জানান, রুশ বাহিনী ওই অঞ্চলের একটি ছোট শহর ওরিখিভে একটি গুদাম ও ইউক্রেনের সামরিক অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলের আটটি স্থানে রুশ বাহিনী গোলাবর্ষণ করেছে বলে এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসন।

সোভিয়াতোশিন জেলায় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আরও দুইজন আহত হয়েছেন।

রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত লক্ষ্যবস্তুতে, বিশেষ করে ক্রিমিয়ায় গত দুই সপ্তাহে হামলা জোরদার হয়েছে। ইউক্রেন এই হামলায় কোনো ভূমিকা নিশ্চিত না করে জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত স্থল হামলার প্রস্তুতি হিসেবে শত্রু অবকাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে।

ইত্তেফাক/ডিএস