ভুটানের তরুণদের দক্ষতা অসাধরণ সমর্থন দিয়ে ফেয়ার গ্রুপ দুই দেশের মধ্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ভুটানের সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বানিজ্যমন্ত্রী ডা. তান্ডি দর্জি। তিনি বলেন, আগামীতে এ ধারা অব্যাহত রাখা, বিনিয়োগ ও বানিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য ফেয়ার গ্রুপের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশে পাঁচদিনের সরকারি সফরে দ্বিতীয় দিন ফেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান রুহুর আলম আল মাহবুবের সাথে তার বনানীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেন এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বৈদেশিক বানিজ্যমন্ত্রী প্রায় চার ঘন্টা সৌজন্য বৈঠক করেন।
ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কোয়েন্তেসিল এবং ফেয়ার গ্রুপের পরিচালক ও ফেয়ার টেকনোলজি রিমিটেডের সিইও মুতাসসিম দায়ান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বানিজ্যমন্ত্রী ডা. তান্ডি দর্জি জানান, বাংলাদেশ থেকে মাত্র ৭০ কিলোমিটার দূরে ভুটান। তা্র দক্ষিণাঞ্চলে আড়াই হাজার একর জমি নিয়ে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠবে। সেখানে বিনোগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষরণে বিশেষ আইন প্রণয়ণ ও সব ধরনের অবকাঠামো সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এই বিশেষ অর্নৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের অনুরোধ জানান।
ফেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান রুহুর আলম আল মাহবুব বলেন, ‘আমরা সেখানে বিনিয়োগের সম্ভবনা যাচাই করে দেখবো। সব দিক থেকে উপযোগী হলে অবশ্যই ভুটানের এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিযোগ করব।’
ভুটান থেকে খাদ্যপণ্য আমদানি, ভুটানের তরুণদের দক্ষতা ও তাদের উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে তুলতে সহযোগিতা দেয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
ভুটানের একদল তরুণ-তরুণীকে গত বছর স্মার্টফোন, কনজুমার ইলেকট্রনিক্স ও অটোমোবাইল সার্ভিসিংয়ে এক মাসের আবাসিক প্রশিক্ষণ দেয়ায় ফেয়ার গ্রুপের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান পররাষ্ট্র বানিজ্যমন্ত্রী ডা. তান্ডি দর্জি। ভুটানের আরও বেশি সংখ্যক তরুণ-তরুণীকে এই প্রশিক্ষণ সুবিধা দেওয়ার অনুরোধের সম্মতি জানান ফেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান।
এ সময় তিনি ময়মনসিংহ মেডিকের কলেজে এমবিবিএস অধ্যায়নকালের স্মৃতিচারণ করে ডা. দর্জি বলেন, এ দেশে কাটানো আমার সাত বছর অত্যান্ত মূল্যবান। বাংলাদেশ আমার সেকেন্ড হোম।
ভুটানের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা কিনলে শেরিং, কেচো নিলে গিলে মাই শেডিং এবং ফেয়ার গ্রুপের উপদেষ্টা এন এম জিয়াউল আলম, চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন, হেড অফ বিজনেস স্ট্র্যাটেজি কমিউনিকেসন্স হাসনাইন খুরশেদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
