রাশিয়ার স্বাধীন গণমাধ্যম কোমারসান্ট জানিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের ব্রায়ানসে রুশ সেনাবাহিনীর একটি সুখোই এসইউ-৩৪, একটি এসইউ-৩৫ এবং দুটি এমআই-৮ হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে ইউক্রেন। যদি এই প্রতিবেদনটি সঠিক হয় তবে এটি কিয়েভের জন্য একটি বিশাল সামরিক সাফল্য হবে। খবর আল-জাজিরার।
শনিবার (১৩ মে) কোমারসান্ট আরও জানায়, হামলার প্রস্তুতি নেওয়া রাশিয়ার যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারগুলো একই সময়ে ভূপাতিত করা হয়েছে। যে স্থানে এই বিমানগুলো ভূপাতিত করা হয়েছিল তা ইউক্রেনের সীমান্তের খুব কাছে।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, 'প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী... যুদ্ধবিমানগুলো ইউক্রেনের চেরনিহিভ অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ এবং বোমা হামলা চালানোর পথে ছিল। অন্যদিকে, হেলিকপ্টারগুলো এই আক্রমণের সমর্থন হিসেবে পাশাপাশি যাচ্ছিল।
কোমারসান্ট এই প্রতিবেদনের পক্ষে কোনো প্রমাণ সরবরাহ করেননি। কিন্তু এই গণমাধ্যমে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, সামরিক ব্লগাররাও একই কথা বলেছেন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামরিক বিমান বিধ্বস্তের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। এছাড়া ইউক্রেনও কিছু জানায়নি।
দেশটি সাধারণত রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে চালানো কোনো হামলার বিষয়ে মন্তব্য করে না। তবে ইউক্রেনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ও আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, চারটি বিমান একসঙ্গে বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা কোনো দুর্ঘটনা নয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইল পোদোলাইক এ বিষয়ে টুইট করেছেন। তিনি লিখেছেন, 'ইউক্রেনের চেরনিহিভে ক্ষেপণাস্ত্র-বোমা হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল রুশ বিমান। কিন্তু অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা সেগুলো ধ্বংস করে দেয়। এটা তাৎক্ষণিক বিচার।'
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস নিউজ শনিবার (১৩ মে) জানিয়েছে, ব্রায়ানস্কে একটি এসইউ-৩৪ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। কিন্তু তাস এর বেশি কিছু জানায়নি।
