২৫ বছর বয়স পর্যন্ত কার হাতে খেয়েছেন শাহরুখ

আপডেট : ১৫ মে ২০২৩, ১৫:৫০

ছোটবেলা তাড়া করে ফেরে সবাইকে। মানুষ যত বড়ই হোকনা কেন শৈশবের অনুভূতিগুলো মুছে যায়না। স্মৃতির ক্যানভাসে ঠিক রয়ে যায় আজীবন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউডের সফল নায়ক হয়েও শৈশবের জ্বলজ্বল স্মৃতিতে  ভাসলেন শাহরুখ খান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী শাহরুখ খান এক সাক্ষাৎকারে ফিরে দেখছিলেন তার ছোটবেলা । শৈশব-কৈশোরের দিনগুলোর কথা মনে করে অভিনেতা জানান তার মা তাকে ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত নিজের হাতে খাইয়ে দিতেন। অথচ এখন প্রৌঢ় বয়সে এসে তিন সন্তানের বাবা শাহরুখ এখন বানাতে পারেন পাস্তা, পিৎজা এবং ছোট গোলাকার রুটি। এমনকি তিনি ডিম সেদ্ধ এবং চা বানাতেও দক্ষ।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শাহরুখের বাবার নাম তাজ মুহাম্মদ। তিনি পেশোয়ার থেকে স্থায়ীভাবে ভারতে চলে এসেছিলেন। শাহরুখের বয়স যখন মাত্র ১৫ বছর তখন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তার বাবা। শাহরুখের মা ফাতিমা খান হায়দারাবাদি ১৯৯০ সালে প্রয়াত হন দীর্ঘ রোগভোগের পর।

শাহরুখের কথায়, 'যখন আমি ছোট ছিলাম, সব সময় ভাবতাম কবে বড় হব। আজ যখন বয়স হয়ে গেছে, সেই ছোটবেলাটা সত্যিই মিস করি। আমার মনে হয়, ওটাই আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়, যখন আমাদের কোনও ভাবনাচিন্তা থাকে না।'

কিং খান আরও বলেন, 'মা আমার ২৫ বছর পর্যন্ত আমাকে খাইয়ে দিতেন। নিজের হাতে খেতে এখনও অদ্ভুত লাগে।'

শাহরুখ আরও বলেন, 'আমি মোগলাই এবং দক্ষিণী খাবার খেতে অভ্যস্ত ছিলাম। আমার বাবা ছিলেন পাঠান, খাবারের ব্যাপারে যারা কিংবদন্তির পর্যায়ে পড়ে। বাবা শুধু খেতেই ভালবাসতেন না, দারুণ রান্নাও করতেন।'

শাহরুখ জানান, তার বাবার পাঠান ঘরানায় রান্না করা পদের সঙ্গে মায়ের হাতের হায়দারাবাদি বিরিয়ানি এবং খাঁটি ডালের একটা দারুণ মিশ্রণ তৈরি হত। বাবা-মা সেগুলো মিশিয়ে তাকে খাওয়াতেন। তবে শাহরুখের আক্ষেপ, সন্তানদের সেই স্বাদ দিতে পারেননি তিনি।

‘পাঠান’ ছবি দিয়ে বছরের শুরুতে রাজকীয়ভাবে প্রত্যাবর্তন ঘটেছে শাহরুখের। ‘জাওয়ান’ মুক্তি পাবে সেপ্টেম্বরে।

শাহরুখ-কন্যা সুহানাও বলিউডে আত্মপ্রকাশ করবেন এই বছরেই। অন্য দিকে, আরিয়ান পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার হিসাবেও বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছেন। ব্যবসাতেও মন দিয়েছেন। ছোট ছেলে আব্রাম এখনও স্কুলের ছাত্র।

ইত্তেফাক/পিএস/এআই